সালেমা আই সি ডি এস অধীন ১ নং কলাছড়ি কালী কুমার শিশু বিহার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দিদিমনি বিনা রানী দাস। দীর্ঘ বছর যাবত তিনি এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আছেন। কালী কুমার শিশু বিহার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। যে জলের ট্যাঙ্ক থেকে জল এনে শিশুদের রান্নার ব্যবস্থা করা হয় সেই জলের ট্যাঙ্ক বা জলের টেপ জঙ্গলে ঘেরা। যা রাস্তার পাশে চোখে পড়ে।জল থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত পোকামাকড় সহ সাপ বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। গ্রামের অভিভাবকরা তাদের শিশুদের নিয়ে এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আসতে চায় না। কাগজ কলমে শিশুর সংখ্যার লাইন। বাস্তবে মিল নেই। অভিযোগ গত পাঁচদিন আগে কলাছড়ি পঞ্চায়েত পরিচালিত কর্মকর্তারা আই সি ডি এস দপ্তর এবং কালী কুমার শিশু বিহার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দিদিমনিকে না জানিয়ে গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়ার অজুহাত দেখিয়ে ফলন্ত আম গাছ, কাঁঠাল গাছ সহ অন্যান্য গাছ কেটে ফেলে দেয়। গাছ কাটতে গিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের টিন বেষ্টিত ছাউনি ও দালান ঘর ভেঙ্গে ফেলে। ফলন্ত মোটা মোটা আম, কাঁঠাল গাছ গুলিকে সাইজ করে নিয়েছেন। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দিদিমনি বিনা রানী দাসের সাথে কথা বললে প্রথমে তিনি কথা বলতে চায়নি।পরে জানান, গাছ কেটেছে পঞ্চায়েত প্রধান উপ প্রধানরা। উনার এবং দপ্তরের কোন অনুমোদন নেয়নি। গাছের কাটতে গিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি ভেঙে যাওয়ার পর দপ্তর থেকে সুপারভাইজার উনাকে দপ্তরের ডেকে পাঠান। এখানে শেষ। কিন্তু, এই ঘটনা নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সঞ্চার হয়েছে। গ্রামের এক বাসিন্দা ক্ষোভ উগড়ে দেন।