রেগার টাকা না আসায় ক্ষুদ্র শিল্প কারখানা গুলি পড়েছে মহা সমস্যায়। বিশেষ করে ইট তৈরির ভাটা গুলি টাকার অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে। প্রতিবছর বহি:রাজ্য বিশেষ করে বিহার উত্তর প্রদেশ রাজস্থান এবং পশ্চিমবঙ্গের কিছু এলাকা থেকে হাজারো শ্রমিক রাজ্যের ভাটা গুলিতে কাজ করতে আসেন। চৈত্র মাসে বহি:রাজের শ্রমিকরা পাওনা গন্ডা হিসাব করে বাড়িতে ফিরে যান। বর্তমান সময়ে গোটা রাজ্যের সাথে ধলাই জেলা সদরের ইট তৈরির ভাটা গুলি বহি:রাজ্যের শ্রমিকদের পাওনা গণ্ডা দিতে না পারায় সমস্যা দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে রাজ্যের গ্রাম উন্নয়ন দপ্তর কিংবা ব্লক গুলি প্রতি বছর ইটভাটা গুলি থেকে কোটি কোটি টাকার ইট নিয়ে থাকেন রেগা প্রকল্পের মাধ্যমে। প্রতিবছর পূজোর সময় এবং চৈত্র মাস তথা মার্চ মাসে ভাটাগুলির বকেয়া বিল মিটিয়ে দিলেও চলতি বছর সেটা আর হয়ে উঠছে না। গ্রামোন্নয়ন দপ্তর কিংবা ব্লক গুলির হাতে রেগা প্রকল্পের কোন অর্থ নেই। ক্ষুদ্র শিল্প কারখানার মালিক কিংবা গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরে বিভিন্ন সাপ্লায়ার যারা সারা বছর দপ্তরকে নানা মালামাল দিয়ে থাকেন চলতি মার্চ মাসে তাদের পকেট ফাঁকা। দপ্তরের বক্তব্য টাকা নেই। টাকা আসলে মিটিয়ে দেব। এই সমস্যায় জর্জরিত ক্ষুদ্র শিল্প কারখানা গুলি এবং গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের বিভিন্ন সাপ্লাইয়ারদের। বর্তমান সময়ে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলতে থাকলেও সাপ্লায়ার এবং ইট ভাটার মালিকরা গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরকে কোন ধরনের সহযোগিতা করতে রাজি হচ্ছেন না বলেই জানা গেছে। সারা রাজ্যের সাথে ধলাই জেলার ইটভাট্টা এবং সাপ্লাইয়ারদের দাবি অতিসত্বর যেন গ্রাম উন্নয়ন দপ্তর তাদের পাওনা গন্ডা মিটিয়ে দেবার ব্যবস্থা করেন। নতুবা এপ্রিল ২০২৬ থেকে কোন ধরনের মালামাল গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরকে তারা দিতে পারবেন না। তাতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজগুলি মুখ থুবড়ে পড়বে।