গড়িয়া পূজা কে ঘিরে রাজধানীতে উৎসবের আমেজ ।শহরের বিভিন্ন স্থানেই চলছে বাবা গড়িয়া'র আরাধনা ।পরিবার এবং সমাজের সার্বিক সমৃদ্ধি কামনায় বাবার কাছে মানত করতে প্রতিটি পূজা প্রাঙ্গনেই জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে পুণ্যার্থীদের ঢল।
রাজ্যের আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব বাবা গড়িয়া পূজা। প্রতিবছর বৈশাখ মাসে এই পুজো হয়, চলে সাত দিন ।ঐতিহ্যের এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান এখন সম্প্রদায়ের বেড়াজাল ডিঙিয়ে সার্বিক রূপ ধারণ করেছে। রাজ্যের পাহাড়ি জনপদের মতো রাজধানীতেও বিভিন্ন স্থানে গড়িয়া পূজার আয়োজন করা হয়। জাতি জনজাতি উভয় অংশের জনগণই সম্মিলিত উদ্যোগে এই পুজোর আয়োজন করেন। এবছর নবম বর্ষে পদার্পণ করেছে বিজয় কুমার চৌমুহনীর কৃষ্ণনগর বয়েজ ক্লাব এর জনজাতি ও জাতির মিলন উৎসব বাবা গড়িয়া পূজা। এদিন জাতি-ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে এলাকাবাসীর সমবেত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেল এই পুজো প্রাঙ্গনে ।সবাই সমাজ এবং পরিবারের সার্বিক মঙ্গল কামনায় বাবা গড়িয়ার কাছে আশীর্বাদ চান। মঙ্গলবার গড়িয়া পূজা প্রসঙ্গে কৃষ্ণনগর বয়েজ ক্লাব এলাকার এক বাসিন্দা জানান, গড়িয়া পূজা এখন আর কোনো সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে এই পুজো সার্বিক রূপ ধারণ করেছে ।এ বছর তাদের আয়োজিত পূজো নবম বর্ষে পদার্পণ করেছে। জাতি জনজাতি সকল অংশের মানুষ সুখ ও সমৃদ্ধি কামনায় বাবা গরিয়ার আরাধনায় মেতে উঠেছেন বলে জানান তিনি।
এদিন কৃষ্ণনগরের বিজয় কুমার চৌমুহনী এলাকাতেই কৃষ্ণনগর সিভিল সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে বাবা গড়িয়া পূজার । এই পূজা প্রাঙ্গনেও সকল অংশের পুণ্যার্থীদের সমাগম পরিলক্ষিত হয় ।কেবলমাত্র কৃষ্ণনগরই নয় ,রাজধানীর কুঞ্জবন, উজান অভয়নগর সহ বিভিন্ন স্থানে অন্যান্য বছরের মত এবারও বাবা গড়িয়া পূজোর আয়োজন করা হয়েছে।
গড়িয়া পূজা কে ঘিরে রাজধানীতে উৎসবের আমেজ ।শহরের বিভিন্ন স্থানেই চলছে বাবা গড়িয়া'র আরাধনা ।পরিবার এবং সমাজের সার্বিক সমৃদ্ধি কামনায় বাবার কাছে মানত করতে প্রতিটি পূজা প্রাঙ্গনেই জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে পুণ্যার্থীদের ঢল।
রাজ্যের আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব বাবা গড়িয়া পূজা। প্রতিবছর বৈশাখ মাসে এই পুজো হয়, চলে সাত দিন ।ঐতিহ্যের এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান এখন সম্প্রদায়ের বেড়াজাল ডিঙিয়ে সার্বিক রূপ ধারণ করেছে। রাজ্যের পাহাড়ি জনপদের মতো রাজধানীতেও বিভিন্ন স্থানে গড়িয়া পূজার আয়োজন করা হয়। জাতি জনজাতি উভয় অংশের জনগণই সম্মিলিত উদ্যোগে এই পুজোর আয়োজন করেন। এবছর নবম বর্ষে পদার্পণ করেছে বিজয় কুমার চৌমুহনীর কৃষ্ণনগর বয়েজ ক্লাব এর জনজাতি ও জাতির মিলন উৎসব বাবা গড়িয়া পূজা। এদিন জাতি-ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে এলাকাবাসীর সমবেত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেল এই পুজো প্রাঙ্গনে ।সবাই সমাজ এবং পরিবারের সার্বিক মঙ্গল কামনায় বাবা গড়িয়ার কাছে আশীর্বাদ চান। মঙ্গলবার গড়িয়া পূজা প্রসঙ্গে কৃষ্ণনগর বয়েজ ক্লাব এলাকার এক বাসিন্দা জানান, গড়িয়া পূজা এখন আর কোনো সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে এই পুজো সার্বিক রূপ ধারণ করেছে ।এ বছর তাদের আয়োজিত পূজো নবম বর্ষে পদার্পণ করেছে। জাতি জনজাতি সকল অংশের মানুষ সুখ ও সমৃদ্ধি কামনায় বাবা গরিয়ার আরাধনায় মেতে উঠেছেন বলে জানান তিনি।
এদিন কৃষ্ণনগরের বিজয় কুমার চৌমুহনী এলাকাতেই কৃষ্ণনগর সিভিল সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে বাবা গড়িয়া পূজার । এই পূজা প্রাঙ্গনেও সকল অংশের পুণ্যার্থীদের সমাগম পরিলক্ষিত হয় ।কেবলমাত্র কৃষ্ণনগরই নয় ,রাজধানীর কুঞ্জবন, উজান অভয়নগর সহ বিভিন্ন স্থানে অন্যান্য বছরের মত এবারও বাবা গড়িয়া পূজোর আয়োজন করা হয়েছে।