নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ বলিউড অভিনেতা গোবিন্দর ভাগ্নি বিগবস ১৩-খ্যাত অভিনেত্রী আরতি সিং তার বিয়ের আগে ওজন কমাতে যে ডায়েট অনুসরণ করেছিলেন, পুষ্টিবিদদের মতে তা খুব একটা স্বাস্থ্যকর বা দীর্ঘস্থায়ী পদ্ধতি ছিল না। আরতি বলেছেন, প্রতিদিনের রাতের খাবারে টানা ২৫ দিন শুধু লাউ খেয়ে তিনি প্রায় পাঁচ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন। বিয়ের আগে দ্রুত ওজন কমাতে তার এই চমকপ্রদ উদাহরণ বেশ আলোচিত হয়েছে। অভিনেত্রী আরতি সিং ২৫ দিন ধরে রাতে শুধু লাউ খেয়ে থেকেছেন। আর তাতেই নাকি মাত্র ২৫ দিনে ৫ কিলোগ্রাম ওজন কমিয়ে ফেলেন তিনি। বিয়ের ছবিতে রোগা দেখাচ্ছে, না কি মোটা? বিয়ের অনুষ্ঠানের থেকে বেশি দুশ্চিন্তা ছবি নিয়েই থাকে কনেদের। বিশেষ করে বলিউড তারকারা এই প্রবণতায় ইন্ধন দিয়েছেন। কনেদের মনের ভেতরে ঠিক কী চলে, তারা কীভাবে নিজেদের প্রস্তুত করেন, তারই উদাহরণ হয়ে উঠলেন মুম্বাইয়ের টেলি অভিনেত্রী।সিনেমা কিংবা ধারাবাহিকের পর্দায় কেমন দেখাচ্ছে, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে বিয়ের ছবি ও ভিডিও। এই ধারণা থেকেই বিয়ের আগে চেহারায় বড়সড় বদল এনেছিলেন আরতি সিং। সে কথাই প্রকাশ করলেন সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী। বিয়ের আগে দ্রুত ওজন কমাতে কিনা করা হয়! তারই এক চমকপ্রদ উদাহরণ তৈরি করলেন আরতি সিং। বিয়ের আগে শুধু লাউ খেয়ে থেকেছেন তিনি। আর তাতেই নাকি মাত্র ২৫ দিনে পাঁচ কিলোগ্রাম ওজন কমিয়ে ফেলেন! যদিও চটজলদি এভাবে ওজন কমানো আদৌ স্বাস্থ্যকর কিনা, তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে। কিন্তু লাউয়ের উপকারিতাও অনেক। ফলে ভালো-মন্দ— দুদিকই রয়েছে। আরতি যেভাবে লাউ-নির্ভর ডায়েট মেনে চলেছেন, তা জানা যাক বিস্তারিত।অভিনেত্রী বলেন, প্রতিদিন নৈশভোজে তার পাতে শুধু লাউ থাকত। উপরন্তু তাতে থাকত না কোনো ভারি মসলা। শুধু সামান্য লবণ আর ধনেপাতা দিয়ে সেদ্ধ করা খাবার। ব্যাস! আর কিছু নয়। সব কিছু প্রেশারকুকারে ভরে সেদ্ধ করে তারপর ভালো করে ঘেঁটে নিতেন তিনি। আরতি সিং বলেন, বিয়ে একবারই করব, তাই ছবিতে রোগা দেখাতেই হতো নিজেকে। আর সে কারণেই এই ডায়েট করেছি। কিন্তু আপনি কি এই ডায়েট করে বিয়ের প্রস্তুতি নিতে পারবেন?— এমন প্রশ্নেরও সম্মুখীন হন অভিনেত্রী। লাউ এমনিতেই কম ক্যালোরিযুক্ত একটি খাবার। তা মূলত জল ও ফাইবারে ভরপুর। তাই অনেকেই এ সবজিকে ওজন কমানোর ডায়েটে রাখেন। কিন্তু এখানেই লুকিয়ে রয়েছে সমস্যার মূল। এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা বলছেন, একটানা একই ধরনের কম ক্যালোরির খাবার খেলে ওজন কমবে স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু সেটি স্বাস্থ্যকর বা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। কেন এ ধরনের ডায়েট স্বাস্থ্যকর নয়, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।