বিলোনিয়া জুড়ে যেন চোরের সাম্রাজ্য।থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে দুটি দোকানে চুরি, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা । একটি সেলাই দোকান ও অন্যটি হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান। ঘটনায় ব্যবসায়ী মহলে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকানের মালিক সঞ্জয় চক্রবর্তী দোকান খুলতে এসে পাশের সেলাই দোকানের দরজা খোলা ও মেঝেতে তালা পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ করেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি সেলাই দোকানের মালিক সুলেখা দেবকে খবর দেন। সুলেখা দেব দোকানে এসে দেখেন, দোকানের মাঝখানের পার্টিশনের টিনের বেড়া কেটে চোরেরা পাশের হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকানে ঢুকেছে। পরে সঞ্জয় চক্রবর্তী নিজের দোকানের তালা খুলে দেখেন, অন্য সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ক্যাশবাক্সের জায়গা তছনছ অবস্থায় পড়ে আছে । প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুটি দোকান থেকেই কিছু নগদ টাকা চুরি গেছে। সঠিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।
খবর পেয়ে বিলোনিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ দরজা ভাঙার সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। চুরির মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।থানার নাকের ডগায় পরপর চুরির ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিলোনিয়া ব্যবসায়ী সমিতি। সমিতির সভাপতি মানিক পাল পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “থানার কাছেই যদি দোকান নিরাপদ না থাকে, তাহলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা কোথায় যাবে?”
তিনি অবিলম্বে রাতের বেলা শহরে পুলিশের টহল জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। পরপর চুরির ঘটনায় রাতের বিলোনিয়া শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন একটাই চোর থেকে নিস্তার পাবে কি শহরবাসী?