নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃমাত্র ২ বছরে শিশুকন্যা মনশ্রী চৌধুরী। সারা রাজ্যে এখন এক সামাজিক আন্দোলনের নাম হয়ে উঠেছে এই ছোট্ট শিশুটি । স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি বা SMA নামক একটি অত্যন্ত বিরল এবং জটিল জেনেটিক রোগে আক্রান্ত সে । তার এই রোগের চিকিৎসার জন্য প্রায় ১৬ থেকে ১৮ কোটি টাকা প্রয়োজন ।বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর রাজ্যের নানা প্রান্তের জনগণ ইতিমধ্যেই মনশ্রীকে বাঁচাতে মাঠে নেমে পড়েছেন । বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করে ভীষণভাবে প্রভাবিত হন রাজ্যের মৎস্য, প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর এবং তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস। মন্ত্রী শনিবার মনশ্রীর পিতাকে নিজ বাসভবনে ডেকে আনেন এবং চিকিৎসার জন্য তার পিতার হাতে ব্যক্তিগতভাবে ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ।তিনি বনশ্রীর পিতাকে আরো আশ্বস্ত করেন ,তার পরিচিত লোকজনদের বলে কয়ে আরো কিছু সাহায্য করবেন তিনি ।এদিন মন্ত্রী সুধাংশু দাস নিজেই এই সংবাদ জানিয়েছেন।এদিন মন্ত্রী সুধাংশু দাস আরো জানান ,তিনি মনশ্রীর বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই জিবি হাসপাতালের নিউরো বিভাগের প্রধানের সাথে কথা বলেছেন ।হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান জানিয়েছেন ,আগামী সোমবার একটি মেডিকেল বোর্ড বসানো হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ।মন্ত্রী আরো জানান ,রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহাও সংশ্লিষ্ট বিষয়টির খোঁজখবর নিচ্ছেন ।তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে দেখা করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর নিকট অনুরোধ জানাবেন।ছোট্ট মনশ্রী কে সারিয়ে তুলতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্যবাসীর প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী সুধাংশু দাস। স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি উচ্চারণ করে মন্ত্রী বলেন, মানুষের মধ্যেই ঈশ্বর বিরাজমান ।তাই সামনেই ঈশ্বরকে রেখে মন্দিরে ঈশ্বর খুঁজলে চলবে না ।ছোট্ট মনশ্রীকে বাঁচাতে সকলে এগিয়ে আসুন ।এটাই হবে ঈশ্বরের সেবা । উল্লেখ্য ছোট্ট মনশ্রীর প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন রাজ্যের কয়েকজন বিধায়কও ।কিন্তু মন্ত্রীদের মধ্যে এই প্রথম সুধাংশু দাস সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন ।মন্ত্রীর এই ব্যক্তিগত উদ্যোগ বিভিন্ন মহলেই দারুন প্রশংসা কুরিয়েছে।