বিবর্তনঃ-
মৎস্যচাষের উন্নয়ন, আত্মনির্ভরতা এবং মৎস্যজীবীদের অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ কমলপুর টাউন হলে মর্যাদার সঙ্গে উদযাপিত হলো রাজ্যভিত্তিক ২৬তম জাতীয় মৎস্য চাষী দিবস।
অনুষ্ঠানের সূচনায় দেশের বিশিষ্ট মৎস্য বিজ্ঞানী ড. হীরালাল চৌধুরী ও কে. এইচ. আলীগুনি-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে শুভ সূচনা করা হয়। এই আবেগঘন মুহূর্তে উপস্থিত অতিথিরা মৎস্য উন্নয়নে তাঁদের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলপুরের বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব। এছাড়াও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সুরমা কেন্দ্রের বিধায়িকা স্বপ্না দাস পাল, ধলাই জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুস্মিতা দাস, ভাইস-চেয়ারম্যান অনাদি সরকার, ডেপুটি ডিরেক্টর অফ ফিশারিজ, আগরতলা সুকেশ মজুমদার, ডেপুটি ডিরেক্টর অফ ফিশারিজ, ধলাই জেলা গৌরাঙ্গ চন্দ্র সরকার, কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান প্রশান্ত সিনহা, ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত মজুমদার, কমলপুর মহকুমা শাসক গিডিয়ন মলসম-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান প্রশান্ত সিনহা।
অনুষ্ঠানে রাজ্যের মৎস্য, ARDD ও SC ওয়েলফেয়ার মন্ত্রী সুধাংশু দাস-এর উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি।
এদিন মৎস্যচাষে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাজ্যের ১৮ জন কৃতী মৎস্যচাষীকে ফিশারিজ দপ্তরের পক্ষ থেকে অ্যাওয়ার্ড' প্রদান করা হয়। সম্মানপ্রাপ্তদের মুখে ছিল গর্বের হাসি, আর তাঁদের এই সাফল্য অন্য মৎস্যচাষীদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব আধুনিক মৎস্যচাষের গুরুত্ব, সরকারি সহায়তা এবং যুবসমাজকে এই পেশায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মৎস্যচাষ শুধু একটি পেশা নয়, এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান মাধ্যম।
জ্ঞান, সম্মান ও অনুপ্রেরণার সমন্বয়ে দিনভর এই অনুষ্ঠান মৎস্যচাষীদের নতুন উদ্দীপনা জোগায় এবং রাজ্যের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয়কে দৃঢ় করে তোলে।