নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ আমবাসা মোটরস্ট্যান্ড নিয়ে লড়াই জোরদার। দীর্ঘদিন ধরে চলছে এই লড়াই। বি এম এস এর নতুন কমিটি ও বাসজীপ চালক সংঘের নতুন কমিটি পুরাতন কমিটিকে একের পর এক হুমকি দিয়ে চলছে, এবং প্রায় সময়ই তাদের অপমান করছে এমনই অভিযোগ। বাস-জীপ চালক সংঘের জেলার সম্পাদক দীপক গোস্বামী নিজের মর্জি মাফিক আমবাসা মোটর স্ট্যান্ডকে নিয়ন্ত্রিত করছে, এবং বহিরাগত লোক নিয়ে স্টান্ড চালাচ্ছে , কোন কারণ না দেখিয়ে প্রতিনিয়ত গাড়ি গুলিকে মাসের পর মাস বসিয়ে রাখছে। যার ফলে চালকরা অতিষ্ঠ। দীপক গোস্বামীর বিরুদ্ধে আরো বহু অভিযোগ আনেন, বাসজীপ চালক সংঘের জেনারেল সেক্রেটারি সন্তোষ দে, এইসব অভিযোগ এনে বুধবার সকাল থেকে আমবাসা মোটরস্ট্যান্ডে চালকরা ধর্নায় বসেন। এমনকি চালকরা বাস জীপ চালক সংঘের অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে আমবাসা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ধর্নাকারীদের দাবি রাজ্য কমিটির আদেশ অনুসারে নতুন কমিটি অবৈধ, রাজ্য কমিটি থেকে সাত দিনের মধ্যে জবাব দেওয়ার নোটিশ এসেছিল, কিন্তু তারা এই নোটিশকে পাত্তা দেয়নি, দীপক গোস্বামী একনায়কতন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে । দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখানোর পর অবশেষে মোটরস্ট্যান্ডে আসে দীপক গোস্বামী। খবর পেয়ে ছুটে আসে আমবাসা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক নিরূপণ দত্ত। উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করেন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক আমবাসা থানার ওসি। এদের সম্পর্কে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কে প্রশ্ন করা হলে উনি জানান আমবাসা মোটরস্ট্যান্ডে চালকদের কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছিল। খবর পেয়ে ছুটে আসেন মোটরস্ট্যান্ডে এবং কথা বলেন চালকদের উভয় পক্ষের সাথে। কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেই মোতাবেক পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। মোটরস্ট্যান্ডের ভিতর এবং বাইরে পুলিশ ও টিএসআর দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘিরে ফেলা হয়।এই ঘটনা সম্পর্কে জেলা কমিটির সম্পাদক নারায়ণ দেবনাথ কে জিজ্ঞাসা করা হলে উনি জানান তাদের এই দাবি অযৌক্তিক। কারণ বর্তমানে যে কমিটি রয়েছে এই কমিটি প্রদেশ থেকে অনুমোদনপ্রাপ্ত। বর্তমান কমিটি যে অবৈধ এ বিষয়ে সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য তিনি অভিযোগকারীদের কাছে প্রশ্ন রাখেন। নারায়ণ বাবু বলেন উনাদের কাছে বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। এখন দেখার বিষয় এই স্ট্যান্ডের অরাজকতা আর কতদিন চলে । এদিকে এই দুই টানে হয়রানির শিকার হচ্ছে চালক সহ যাত্রী সাধারণরাও।