নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে দেশাত্মবোধের বার্তা ছড়িয়ে দিতে কদমতলায় আয়োজিত হলো এক বর্ণাঢ্য র্যালি। কদমতলা-কুর্তি মণ্ডল ও ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।জাতীয় পতাকা হাতে র্যালিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন বিজেপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, সংগীতাঙ্গনের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, অভিভাবকসহ এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। এদিন কদমতলা বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে র্যালির সূচনা হয়। পরে র্যালিটি কদমতলা ব্লক চত্বর ও ট্রাই জংশন পরিক্রমা করে পুনরায় কদমতলা বিদ্যালয়ের মাঠে এসে শেষ হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী, কদমতলা-কুর্তি মণ্ডল সভাপতি বিমল পুরকায়স্থ, জেলা সভাপতি কাজল দাস, কদমতলা-কুর্তি মণ্ডল যুব মোর্চার সভাপতি অমিতাভ নাথ, জেলা সাধারণ সম্পাদক সহ দলের বিভিন্ন স্তরের পদাধিকারীরা। বিধায়ক জহর চক্রবর্তী বলেন, “আমাদের প্রধান নীতি হলো—প্রথমে দেশ, তারপর ব্যক্তি।” স্বাধীনতা দিবসের এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য দেশের প্রতি ভালোবাসা ও দেশাত্মবোধের চেতনা মানুষের মধ্যে আরও জাগ্রত করা বলেও তিনি জানান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহার নেতৃত্বে ‘এক ত্রিপুরা, শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা’ গড়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে।অন্যদিকে, যুব মোর্চার সভাপতি অমিতাভ নাথ বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল বীর শহীদ ও দেশপ্রেমিককে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করাই এই বিশেষ দিনের অন্যতম উদ্দেশ্য। স্বাধীনতা দিবসের পবিত্র বার্তা প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়া এবং দেশকে আরও শক্তিশালী ও গৌরবান্বিত করার লক্ষ্যে যুব সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।বর্ণাঢ্য র্যালিকে ঘিরে কদমতলায় এদিন উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জাতীয় পতাকার শোভা এবং দেশাত্মবোধক স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। কর্মসূচি শেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সকল অংশগ্রহণকারী, এবং এলাকাবাসীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানো হয়।