‘আওয়ারাপন ২’-এর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ইমরানপত্নী, জানালেন দুই যুগের সংগ্রামের কথা

Aug 19, 2026

‘আওয়ারাপন ২’-এর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ইমরানপত্নী, জানালেন দুই যুগের সংগ্রামের কথা

নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ‘আওয়ারাপন ২’। মুক্তির মাত্র চার দিনের মধ্যেই সিনেমাটি বক্স অফিসে ১৩০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে। ছবিতে ইমরানের অভিনয়ও প্রশংসা কুড়াচ্ছে দর্শক ও সমালোচকদের।স্বামীর এমন সাফল্যে আবেগাপ্লুত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইমরানের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের নানা অজানা দিক তুলে ধরেছেন তার স্ত্রী পারভীন। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ইমরানের আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে কেটে গেছে ২৩ বছরেরও বেশি। এই দীর্ঘ পথচলায় ছিল ধৈর্য, অধ্যবসায়, বিশ্বাস, আত্মনিবেদন, আশীর্বাদ ও প্রার্থনা। কখনো সাফল্য এসেছে, আবার কখনো ব্যর্থতা ও হতাশার মুখোমুখিও হতে হয়েছে। তবে কোনো প্রতিকূলতাই তাকে থামাতে পারেনি।পারভীনের মতে, ইমরান সবসময় নিজের কাজের প্রতি মনোযোগী থেকেছেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, কঠোর পরিশ্রম একদিন না একদিন অবশ্যই স্বীকৃতি পাবে। প্রতিটি চরিত্রে অভিনয়ের সময় নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।সাফল্য পাওয়ার পরও ইমরান নিজেকে সাধারণ ও মাটির কাছাকাছি রাখতে পেরেছেন—এ বিষয়টিই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে বলে মনে করেন পারভীন।ইমরানের কাজের প্রস্তুতির বিষয়টিও পোস্টে তুলে ধরেছেন তিনি। তার ভাষ্য, নিয়মিত চিত্রনাট্য পড়া, তেলুগু সংলাপ আয়ত্ত করা এবং দরজা বন্ধ করে দৃশ্যের মহড়া দেওয়া ইমরানের রুটিনের অংশ। এর পাশাপাশি খাবারের প্রতি নিয়ন্ত্রণ, শরীরচর্চা ও ব্যক্তিগত যত্নের ক্ষেত্রেও তিনি যথেষ্ট শৃঙ্খলাবদ্ধ। এমনকি ছুটির দিনেও এই রুটিনে খুব একটা পরিবর্তন আসে না।‘আওয়ারাপন ২’-এর সাফল্যের পর দর্শকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা ইমরান পাচ্ছেন, সেটিকে তার প্রাপ্য বলেই মনে করেন পারভীন। স্বামীর অর্জনে গর্ব প্রকাশ করে তিনি আশা করেছেন, ইমরানের এই দীর্ঘ সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প অন্যদেরও নিজেদের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আওয়ারাপন’ বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলেও সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর এর সিক্যুয়েল ‘আওয়ারাপন ২’ ঘিরে শুরু থেকেই তৈরি হয় ব্যাপক আগ্রহ। মুক্তির পর বক্স অফিসের সাফল্য এবং ইমরানের প্রশংসিত অভিনয় এখন সিনেমাটিকে তার ক্যারিয়ারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অর্জনে পরিণত করেছে।