নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ শনিবার আগরতলা প্রেসক্লাবে জনজাতিদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন এসেম্বলি অব রিটায়ার্ড ট্রাইভেলস ইন্টেলেকচুয়ালস অ্যান্ড স্কলার্স অফ ত্রিপুরা বা আর্টিস্ট এর উদ্যোগে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয় । এই সেমিনারে মুখ্য বিষয়বস্তু ছিল এমপাওয়ারমেন্ট অফ টিটিএএডিসি ইজ এ স্টেপ ফরওয়ার্ড টু দা প্রসেস অফ ডেভলপমেন্ট অফ ট্রাভেলস ইন ত্রিপুরা।। এই সেমিনারে বক্তব্য রাখেন রাজ্য সরকারের প্রাক্তন আইন সচিব দাতা মোহন জমাতিয়া ।উপস্থিত ছিলেন সমীর দেববর্মা, ডাক্তার সত্য রঞ্জন দেববর্মা ,ধীরাজ দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। এডিসির ক্ষমতায়ন বিষয়ক এই সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তথ্য দিয়ে রাজ্য সরকারের প্রাক্তন আইন সচিব দাতা মোহন জমাতিয়া জানান ,১৯৩১ সালের জনগণনায় ত্রিপুরায় জনজাতিদের সংখ্যা ছিল শতকরা ৭০. ০৯ শতাংশ। ১৯৪১ সালের জনগণনায় ত্রিপুরায় জনজাতিদের সংখ্যা হ্রাস পেয়ে হয় ৬২.০৫ শতাংশ। ১৯৫১ সালের সেন্সাসে দেখা যায় ,ত্রিপুরায় জনজাতিদের উপস্থিতি হ্রাস পেয়ে হয় ৪৮.৬৫ শতাংশ। ১৯৬১ সালের সেন্সাসে রাজ্যে ট্রাইবেলদের সংখ্যা আরো কমে দাঁড়ায় ৩১.০৫ শতাংশ। ৭১ সালের জনগণনায় জনজাতিদের সংখ্যা কমে হয় ২৮.৪৬ শতাংশ। ১৯৮১ সালের সেন্সাসে রাজ্যের জনজাতিদের সংখ্যা ছিল ২৮.৪৪% ।আবার ১৯৯১ সালের জনগণনায় ত্রিপুরায় জনজাতিদের সংখ্যা কিছুটা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০.৯৫ শতাংশ। ২০০১ সালে এই সংখ্যা আরো কিছুটা বেড়ে দাঁড়ায় ৩১.০৫ শতাংশ। ২০১১ সালের শেষবারের জনগণনায় রাজ্যে জনজাতিদের সংখ্যা ছিল শতাংশের নিরিখে ৩১.৭৮ শতাংশ। প্রাক্তন আইন সচিব বলেন ,এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা গেছে ,মহারাজার সময়েই ১৯৪৫ -৪৬ সালে নোয়াখালীতে দাঙ্গার পর অনেক ক্ষতিগ্রস্ত লোককে মহারাজা রাজ্যে আশ্রয় দিয়েছিলেন। তাই ইতিহাস বলে, রাজার আমলেই রাজ্যের জনজাতিরা জনসংখ্যার দিক থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে শুরু করে। এই সেমিনারে অন্যান্য বক্তারা এডিসি কি, এডিসির গঠন প্রণালী কি, এডিসির হাতে অধিক ক্ষমতার বিষয় কি -প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।