নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব বুধবার মানব উন্নয়নের সঙ্গে প্রকৃতি সংরক্ষণের সমন্বয় সাধনের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, বাঘের বিচরণক্ষেত্র বা 'টাইগার ল্যান্ডস্কেপ' রক্ষা এবং পরিবেশগত নিরাপত্তা জোরদার করার প্রচেষ্টার মূলে থাকতে হবে মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য ও সহাবস্থান। নতুন দিল্লিতে ‘টাইগার ল্যান্ডস্কেপ: জীবিকা ও আয় সৃষ্টির স্তম্ভ হিসেবে সংরক্ষণ, জৈব-অর্থনীতি ও পরিবেশ-পর্যটন’ (ইকো-ট্যুরিজম) বিষয়ক দুই দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।২ ও ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই কর্মশালাটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের অধীনস্থ ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটি। এই কর্মশালায় টাইগার ল্যান্ডস্কেপগুলোকে ‘প্রাকৃতিক সম্পদ’ বা ‘প্রাকৃতিক পুঁজি’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং এদের বাস্তুতন্ত্র-ভিত্তিক সেবাসমূহের ওপর আলোকপাত করা হচ্ছে। পাশাপাশি, সংরক্ষণ, জৈব-অর্থনীতি ও পরিবেশ-পর্যটন কীভাবে সুস্থায়ী জীবিকা, স্থানীয় পর্যায়ে আয় বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশগত নিরাপত্তায় অবদান রাখতে পারে, তা নিয়েও এখানে আলোচনা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভূপেন্দ্র যাদব ‘প্রজেক্ট টাইগার’-এর আওতায় ভারতের সংরক্ষণ প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাঘের টিকে থাকাটা বনভূমি, তৃণভূমি, নদী, শিকারযোগ্য প্রাণী, বন্যপ্রাণীর চলাচলের পথ (করিডোর) এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সুস্থ অবস্থার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি উল্লেখ করেন, টাইগার ল্যান্ডস্কেপগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্র-ভিত্তিক সেবা প্রদান করে— যার মধ্যে রয়েছে জল নিরাপত্তা, কার্বন শোষণ, জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীবিকার সহায়তা।