নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ প্রয়াত রাজ্যের প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক তথা বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তাপস দে। শনিবার রাত সাড়ে ১১ টা নাগাদ জিবি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা রাজ্যে শোকের আবহ নেমে আসে। শনিবার সকালে প্রয়াত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মরদেহ আগরতলা প্রেস ক্লাবে নিয়ে আসা হয় ।আগরতলা প্রেস ক্লাবের দীর্ঘদিনের সহযোগী সদস্য ছিলেন তিনি। সেখানে প্রেস ক্লাবের সদস্যরা পুষ্পার্ঘ অর্পন করে শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। উপস্থিত ছিলেন আগরতলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রণব সরকার, সম্পাদক রমাকান্ত দে বরিষ্ঠ সাংবাদিক শ্রদ্ধেয় সুবল কুমার দে সহ আগরতলা প্রেসক্লাবের সদস্যরা। এদিন আগরতলা প্রেস ক্লাবে ক্লাবের বর্ষিয়িন সদস্য সুবল কুমার দে জানান ,৭০ দশকে রাজ্যের একজন অন্যতম রসিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন তাপস দে। তার সাথে দীর্ঘদিনের পরিচয় এবং বন্ধুত্ব ছিল। এমন উপকারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব খুব একটা দেখা যায় না বলে জানান তিনি।তিনি আরো জানান, বিধায়ক থাকাকালীন সময়ে শিক্ষা দপ্তর থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য দপ্তর ও অন্যান্য দপ্তরে প্রচুর সংখ্যক চাকরি দিয়েছেন প্রয়াত তাপস দে। তার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন বর্ষিয়ান সাংবাদিক সুবল কুমার দে। এদিন প্রয়াত রাজনৈতিক নেতৃত্ব তাপস দের মরদেহ বিধানসভায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিধানসভায় তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান অধ্যক্ষ রাম পদ জমাতিয়া ,প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা ,কংগ্রেস বিধায়ক বিরজিৎ সিনহা, বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন, বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাস, এডিসির সিইএম রুনিয়েল দেববর্মা ,বিধায়ক বিশ্বজিৎ কলই সহ অন্যান্য তিপ্রা মথা দলের নেতৃবৃন্দ ও বিধায়করা। এদিন বিধানসভায় প্রয়াত নেতাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানিয়ে কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন বলেন ,বর্ণময় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন তাপস দে। ১৯৭২ সালে কংগ্রেস দলের হয়ে শালগরা নির্বাচনী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি ।দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেস দলের সাথে যুক্ত ছিলেন তিনি ।শেষ দিকে তিপ্রা মথায় যোগদান করেন ।তার এই অকাল প্রয়াণে তিনি এবং দলের সবাই গভীরভাবে মর্মাহত। প্রয়াত নেতৃত্বের আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। এদিন বিধানসভা প্রাঙ্গণে প্রয়াত দলীয় নেতৃত্বের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান এডিসির মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য রুনিয়েল দেববর্মা সহ তিপ্রা মথা দলের একাধিক বিধায়ক, বিধায়িকা ও এমডিসি সদস্যরা। এডিসির মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য রুনিয়েল দেববর্মা জানান, রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় নেতা ছিলেন তাপস দে। মহারাজার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল তার ।তার অকাল প্রয়াণে গভীরভাবে শোক প্রকাশ করছে তিপ্রা মথা দলের সকল সদস্যরা। প্রাক্তন বিধায়ক তাপস দে'র প্রয়াণে গভীর শোক ব্যাপ্ত করেছেন তিপ্রা মথা দলের সুপ্রিমো প্রদ্যুৎ কিশোর দেব বর্মন সহ রাজ্যের বিশিষ্ট জনেরা।