নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ দেশের বর্তমান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা বেধে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। অন্যথায় ককরোচ জনতা পার্টি বা সি জে পি দেশ জুড়ে আন্দোলনে নামার ডাক দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে যখন গোটা দেশ আলোড়িত তখন দেশের মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার কে দরখাস্তের দাবি জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জীতেন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় বিরোধী দলনেতা সম্প্রতি দেশের একটি জাতীয় ইংরেজি মাধ্যম সংবাদপত্রের সংবাদ উল্লেখ করে জানান, সংশ্লিষ্ট সংবাদটি গোটা দেশে রাজনৈতিক এটম বোমা ফাটিয়েছে। তিনি জানান ,সেখানে বলা হয়েছে বিজেপি ক্ষমতা কুক্ষিগত করার লক্ষ্যে দেশের সব রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পত্তি বিক্রি করে দিচ্ছে। পাশাপাশি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকেও তারা কিনে নেওয়ার মতো নিজেদের পছন্দের লোক বসাচ্ছে। তিন্নী জানান,দেশের মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের অন্যায়কে মুখ বুঝে সহ্য করতে পারছেন না অপর দুই নির্বাচন কমিশনার। অপর দুই নির্বাচন কমিশনার গত ১০ মাসে ১৪ বার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লিখিত এবং মৌখিক আপত্তি জানিয়েছেন। তিনি বলেন ,সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে দেশের রাজনৈতিক দলগুলি অভিমত ব্যক্ত করেছে। সিপিআইএম দলও মতামত জানিয়েছে। তার সাথে সংযোজন করে তিনি জানান ,অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমার কে বরখাস্ত করা হোক ।তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একদিন ভিডিও বার্তায় দেশের নির্বাচন কমিশন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের একটি মামলার প্রেক্ষাপট উল্লেখ করেন বিরোধী দলনেতা জিতেন চৌধুরী। সুপ্রিম কোর্টের দুই সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চের অন্যতম জাস্টিস দীপঙ্কর দত্তের অভিমতও উল্লেখ করেন তিনি। বিরোধী দলনেতা আরো জানান, এই বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বিষয়টি বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ ডিভিশন বেঞ্চে আলোচনার জন্য প্রধান বিচারপতির টেবিলে পাঠানো হয়েছে। দেশের শীর্ষ আদালত সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিরোধী দলনেতা।