মথা বিজেপিকে খুশি করতেই পুনঃভোট : জিতেন্দ্র

Sep 30, 2026

মথা বিজেপিকে খুশি করতেই পুনঃভোট : জিতেন্দ্র

নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ    বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী শিবিরের এক নেতা। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের রাজনৈতিক চাপের কারণে কমিশনের পক্ষে স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাঁর দাবি,   নির্বাচনের সময় পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও তা যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়নি।তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উদয়পুরসহ বিভিন্ন জায়গায় যে ঘটনাগুলি ঘটেছে, সেগুলি নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, মোট ৭৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী—সিআরপিএফ-সহ অন্যান্য বাহিনী—মোতায়েন ছিল। এই বাহিনীকে সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে যথাযথভাবে ব্যবহার করা হলে বহিরাগতদের প্রবেশ বা ভোটকেন্দ্র দখলের মতো ঘটনা ঠেকানো সম্ভব হতো।রিপোলিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোথাও নিয়ম মেনে সুষ্ঠুভাবে ভোট না হলে সেখানে পুনর্নির্বাচন হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, বিরোধীদের পক্ষ থেকে প্রায় ১০টি কেন্দ্রে রিপোলিংয়ের দাবি জানানো হলেও সেগুলির ক্ষেত্রে কমিশন একইভাবে গুরুত্ব দেয়নি। তাঁর দাবি, ধলাইয়ের কমলপুর মহকুমা এবং খোয়াইয়ের কল্যাণপুর ব্লকের কয়েকটি কেন্দ্রে শাসক দলের একাংশের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্রে ঢুকে ছাপ্পা ভোট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।অন্যদিকে, তিনি অভিযোগ করেন, অন্য একটি রাজনৈতিক দলের দাবির ভিত্তিতে কয়েকটি কেন্দ্রে রিপোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বিরোধীদের উত্থাপিত অভিযোগগুলির ক্ষেত্রে কমিশন একই ধরনের পদক্ষেপ করেনি।তিনি বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে না হওয়ার ক্ষেত্রে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এখন ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, আগামী ৫ অক্টোবর ভোট গণনা হবে। তাই অন্তত গণনার ক্ষেত্রে কমিশন যেন কোনও দুর্বলতা না দেখায়।”গণনাকেন্দ্রে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে তাদের যথাযথভাবে ব্যবহার এবং সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে ভোট গণনার দাবি জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, ভোটাররা যে রায় দিয়েছেন, গণনার মাধ্যমে সেই জনরায়ই যেন সঠিকভাবে প্রকাশ পায়।