নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ বলিউডের ‘কিং অব রোমান্স’ শাহরুখ খান বাস্তবজীবনেও যে সম্পর্কের রসায়ন গভীর থেকে বোঝেন, তার প্রমাণ আরও একবার পাওয়া গেল। সামাজিক মাধ্যমে এক ভক্ত নবদম্পতিদের জন্য সুখী বিবাহিত জীবনের ‘গ্রিন ফ্ল্যাগ’ বা মূল চাবিকাঠি কী, তা জানতে চেয়ে প্রশ্ন করলে সুখী দাম্পত্যের ইতিবাচক দিক হচ্ছে— পারস্পরিক সমঝোতা ও মানিয়ে নেওয়া। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে আয়োজিত ‘আস্ক এসআরকে’ সেশনে এমন প্রশ্নের উত্তরে বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান এ পরামর্শ দেন। বলিউড বাদশাহ বলেন, 'একে অপরের রঙে রঙিন হয়ে ওঠো...। নিজেদের মধ্যে মানিয়ে নাও, যাতে তোমরা দুজনেই সঙ্গীকে আরও সুখী করতে পারো।’ শাহরুখ খানের এই মন্তব্য শুধুই রোমান্টিক নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্ব। এ বিষয়ে রিলেশনশিপ কোচের মতে, দুজন মানুষ যদি সম্পর্কে আগের মতো বেঁচে থাকার জেদ ধরে রাখেন, তবে কোনো ভালোবাসার সম্পর্কই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর অ্যাডজাস্টমেন্টের অর্থ হলো— সঙ্গীর জন্য নিজের জীবনে জায়গা তৈরি করে নেওয়া। সঙ্গী কীভাবে মানসিক দ্বন্দ্বে সাড়া দেন, তা বুঝে যোগাযোগের মাধ্যম বদলানো, সপ্তাহান্ত কীভাবে কাটাবেন, দায়িত্ব কীভাবে শেয়ার করে নেবেন কিংবা কঠিন দিনের পর সঙ্গীর নীরবতার প্রয়োজনকে সম্মান জানানো— এসব ছোট ছোট বিষয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান এ কিংবদন্তি অভিনেতা।বাদশাহর ভালোবাসার ভিত্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— অন্যকে খুশি করতে গিয়ে নিজের অস্তিত্বকে ছোট করা যাবে না। অসুস্থতা, ক্যারিয়ারের চাপ, গর্ভাবস্থা কিংবা শোকের মতো কঠিন সময়ে একজন সঙ্গীকে বেশি দায়িত্ব বহন করতে হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে দুজনকেই অনুভব করতে হবে— ‘তোমার আনন্দ যেমন আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, আমার আনন্দও তোমার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।’