নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা, তারপরই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। ইতিমধ্যেই দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজে সেজে উঠতে শুরু করেছে গোটা রাজ্য। আলোকসজ্জা থেকে শুরু করে দৃষ্টিনন্দন মণ্ডপ নির্মাণ—পূজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বিভিন্ন ক্লাব ও পুজো উদ্যোক্তারা। এরই মধ্যে খোয়াই জেলাবাসীসহ গোটা রাজ্যবাসীর জন্য বিশেষ আকর্ষণ নিয়ে হাজির হচ্ছে তেলিয়ামুড়ার অন্যতম বনেদি ক্লাব প্রোগ্রেসিভ ইয়ুথ ক্লাব।প্রতিবছরের মতো এবছরও দুর্গোৎসবকে স্মরণীয় করে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এবছর প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকারও বেশি বাজেট নিয়ে অযোধ্যার রাম মন্দিরের আদলে নির্মিত হচ্ছে তাদের পূজামণ্ডপ। মণ্ডপের দৃষ্টিনন্দন কারুকার্য থেকে শুরু করে প্রতিমা নির্মাণ এবং চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা—সব ক্ষেত্রেই থাকছে বিশেষ চমক।মণ্ডপসজ্জার দায়িত্বে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপের বিশিষ্ট শিল্পী কমল সাধক। পাশাপাশি, মণ্ডপকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আলোকসজ্জার কাজেও যুক্ত রয়েছেন নবদ্বীপের শিল্পীরা। অন্যদিকে, দেবী দুর্গার প্রতিমা নির্মাণেও থাকছে পশ্চিমবঙ্গের এক বিশিষ্ট মৃৎশিল্পীর নিপুণ হাতের ছোঁয়া। সব মিলিয়ে এবারের দুর্গোৎসবে দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠার প্রত্যাশা রাখছে প্রোগ্রেসিভ ইয়ুথ ক্লাবের পূজামণ্ডপ।শুধু জাঁকজমকপূর্ণ পূজার আয়োজনই নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও প্রতিবছরের মতো এবছরও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। দুর্গোৎসবের আনন্দের পাশাপাশি সমাজের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।এ প্রসঙ্গে ক্লাবের সম্পাদক পিন্টু দাস জানান, এবছরও পূজাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, তিনি গোটা রাজ্যবাসীকে প্রোগ্রেসিভ ইয়ুথ ক্লাবের পূজামণ্ডপে সাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাঁর আহ্বান, সকলে যেন সপরিবারে উপস্থিত হয়ে মণ্ডপের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি শারদোৎসবের আনন্দে শামিল হন।সব মিলিয়ে, অযোধ্যার রাম মন্দিরের আদলে নির্মিতব্য মণ্ডপ, নবদ্বীপের শিল্পীদের শৈল্পিক কারুকার্য এবং বর্ণাঢ্য আলোকসজ্জাকে কেন্দ্র করে এবারের দুর্গোৎসবে তেলিয়ামুড়ার প্রোগ্রেসিভ ইয়ুথ ক্লাব দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলেই আশা করছেন উদ্যোক্তারা।