নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ সপ্তাহান্তে সৌদি আরবের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের জন্য ক্রমবর্ধমান সংকটের চিত্র সামনে এনেছে।ইরান-সমর্থিত হুথি যোদ্ধাদের চালানো ওই হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হয়েছেন।দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিরাপত্তা হুমকি বাড়তে থাকায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বাংকার-সুবিধাসহ কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত বিভিন্ন প্রাসাদে অবস্থান পরিবর্তন করছেন। এই সহিংসতা সৌদি আরবকে বৈশ্বিক পর্যটন ও বিনিয়োগের কেন্দ্রে পরিণত করার তার উচ্চাকাঙ্ক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।সাংবাদিক সামার সাঈদ ও জর্জি কান্টচেভ তাদের প্রতিবেদনে বিশ্লেষণ করেছেন, যুবরাজের নিজের নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত কীভাবে তাকে বর্তমান পরিস্থিতির মুখোমুখি করেছে। প্রতিরক্ষা ও অবকাঠামো খাতে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। ফলে তেলনির্ভরতা কমিয়ে সৌদি অর্থনীতিকে নতুন খাতে সম্প্রসারণের উদ্যোগও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ও ইরান-সমর্থিত হুথি যোদ্ধাদের মধ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।গতকাল এ সংঘাতে সরাসরি হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি আরব পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা হামলায় যোগ দিতে পারে।রিয়াদে হুথিদের হামলা জোরদার হওয়ায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে লোকচক্ষুর আড়ালে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ গত মঙ্গলবার তাকে জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল। ওই দিন জাতীয় রক্তদান কর্মসূচিতে সমর্থন জানাতে তিনি নিজেও রক্ত দিয়েছিলেন। এরপর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।