নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর প্রফেসর মানিক সাহার বিগত জানুয়ারি মাসে এসেছিলেন দুই দিনের উত্তর জেলা সফরে। তখনই বিগত ২০২৬ তারিখে সরাসরি পরিদর্শন করেন এবং করার পরে নির্দেশ দিয়েছিলেন সঠিকভাবে তদন্ত করার জন্য এই পাথর কেশারগুলির। কারণ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এবং পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত অধিকাংশ তথ্যের অধিকাংশ মিল পেয়েছেন তিনি এই সরাসরি পরিদর্শনের মাধ্যমে। তারই সাথে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল যে চুড়াইবাড়িতে
ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে ওঠা পাথর কেশার গুলির জন্য জনজীবন বিপন্ন হতে চলেছে। শব্দ ও ধুলা দূষণে নাজেহাল বাসিন্দারা
স্থানীয়দের অভিযোগ, কেশারগুলি চালু থাকলে তীব্র শব্দে আশপাশের পরিবেশ কার্যত বসবাসের অযোগ্য হয়ে ওঠে। দিনরাত বিকট শব্দে শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবাই মানসিক চাপ ও শারীরিক অস্বস্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। পাশাপাশি পাথর ভাঙার সময় বিপুল পরিমাণ ধুলো বাতাসে মিশে গিয়ে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও অ্যালার্জির সমস্যা বাড়িয়ে তুলেছে।
চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন অতিরিক্ত শব্দ ও ধুলাবালির সংস্পর্শে থাকলে কানের সমস্যা, শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা, এমনকি ফুসফুসজনিত দীর্ঘস্থায়ী রোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়। ইতিমধ্যেই এলাকায় শিশু, কিশোর-কিশোরী ও প্রবীণদের মধ্যে অসুস্থতার প্রবণতা বাড়ার অভিযোগ উঠেছে।
তারপর অবশেষে দীর্ঘ বছর পরেই পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের দৃষ্টিপাত করে তদন্তের অভিযান শুরু হল চুড়াইবাড়িস্থিত পাথর কেশর গুলির।