বর্ষাকে সামনে রেখে কাঁটাখাল ও হাওড়া নদীর নিষ্কাশন ব্যবস্থা খতিয়ে দেখল প্রশাসন

Mar 15, 2026

বর্ষাকে সামনে রেখে কাঁটাখাল ও হাওড়া নদীর নিষ্কাশন ব্যবস্থা খতিয়ে দেখল প্রশাসন

নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ

বর্ষায় জল নিষ্কাশনের পথ সুগম রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে শনিবার কাটাখাল এবং হাওড়া নদীর বিভিন্ন প্রান্ত পরিদর্শন করলেন রাজ্য সরকারের সচিব কিরণ গীত্ত্যে । পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম জেলার জেলা শাসক,সদর মহকুমার শাসক, আগরতলা পৌর নিগম এবং জলসম্পদ বিকাশ দপ্তরের আধিকারিকগণ।

 

বর্ষা আসন্ন ।বর্ষার জল শহর থেকে নির্গমনের অন্যতম দুটি উৎস হল কাটাখাল এবং হাওড়া নদী ।কাটা খাল এবং হাওড়া নদীর জল নিষ্কাশনী ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্য সরকারের সচিব কিরণ গীত্ত্যে । তার সাথে ছিলেন পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডক্টর বিশাল কুমার, সদর মহকুমা শাসক,জল  সম্পদ বিকাশ দপ্তর ,স্মার্ট সিটি এবং আগরতলা পৌর নিগমের আধিকারিকরা ।প্রতিনিধি দলটি কাটাখালের জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা পরখ করতে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে ।পরে জয়নগর এলাকায় হাওড়া নদীর অবস্থাও খতিয়ে দেখেন তারা ।এই প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারের সচিব কিরণ গীত্ত্যে জানান ,বর্ষার সময় শহরের জল নিষ্কাশনের অন্যতম দুটি উৎস হল হাওড়া নদী এবং কাটাখাল। এই দুটি উৎস দিয়ে কিভাবে শহর থেকে জল নিষ্কাশন হচ্ছে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে বেরিয়েছেন তারা ।তিনি জানান ,কাটাখালের জল নিষ্কাশনী ব্যবস্থা চালু রয়েছে। যেখানে যেখানে জল নির্গমনের পথে বাধা রয়েছে সেখানে আগরতলা পৌর পরিষদ ,স্মার্ট সিটি, জলসম্পদ বিকাশ দপ্তর একসাথে মিলে কাজ শুরু করেছে।

 

এদিন পরিদর্শনে গিয়ে হাওড়া নদীর জল নিষ্কাশনিক ব্যবস্থা দেখে সন্তোষ ব্যক্ত করেন কিরণ গীত্ত্যে । তিনি বলেন ,রাজ্য সরকার এই বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে ।প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সচিব জানান, জল নিষ্কাশনের দুটি উৎস স্বাভাবিক থাকায় এবার বর্ষার সময় শহরে জল জমবে না ।বৃষ্টির জল নিষ্কাশনে আগরতলা পৌর নিগমের পাম্পগুলি ভালো কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে শুক্রবার  প্রথম কালবৈশাখীর বৃষ্টিপাতে রাজধানীর কোন কোন স্থানে কিছুটা সময় জল জমে যায়। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র ক্ষোভের  সৃষ্টি হয় ।যদিও আগরতলা পৌর নিগমের জল নিষ্কাশনের পাম্পগুলি সক্রিয় থাকায় ঘন্টাখানেকের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্হায় ফিরে আসে।