উত্তর এিপুরা জেলার পানিসাগর বিধানসভার অন্তর্গত ইন্দুরাইল এডিসি ভিলেজের স্থানীয়
জনগন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহার দৃষ্টি আকর্ষণের দাবি রেখেছেন ।।
পানিসাগর বিধানসভার অন্তর্গত ইন্দুরাইল এডিসি ভিলেজের বাসিন্দারা তাদের দু-গঙ্গার এলাকাস্থিত উওর এিপুরা জেলার একটি অতি পবিত্র স্থান অম্বিকা কুন্ড নামে পরিচিত একটি কুণ্ড এবং এখানে থাকা মন্দিরের সংস্কারের এবং এই স্থানটিকে একটি পর্যটন কেন হিসাবে তৈরি করে দেওয়ার জন্য দাবি তুলেছেন।এই অম্বিকা কুন্ডটি প্রায় শতবছর পুরানো একটি পবিত্র তীর্থস্থান বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে ঊনকোটি জেলার ঊনকোটি তীর্থ স্থানের মতো এটিও উত্তর ত্রিপুরা জেলার একটি তীর্থস্থান যেখানে রয়েছে প্রকৃতির দ্বারা সৃষ্টি করা পাথরের পাহাড়ের মধ্যে একটি পবিত্র কুণ্ড এবং তার পাশে গড়ে ওঠা একটি অম্বিকা মন্দির, একটি ভৈরব মন্দির এবং একটি শিব মন্দির।
এই স্থানের মান্যতা রয়েছে যে " মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুণী" উপলক্ষে এখানে তিন দিন ব্যাপী বিশেষ কিছু অনুষ্ঠান এবং বিশাল জাকজমক সহীত একটি মেলা অনুষ্ঠিত হয় ।
মান্যতা অনুসারে
এই মধুকৃষ্ণা ত্রয়োশী উপলক্ষে চলাকালীন
সময়ে এই অম্বিকা কুন্ডে
"গঙ্গাস্নানের পূর্ণতা "
লাভের জন্য এই বিশেষ দিনগুলিতে এই কুণ্ডে স্নান করেন
শিশু, নারী-পুরুষ বৃদ্ধ বৃদ্ধা সকলেই।
যেভাবে পার্শ্ববর্তী জেলার অর্থাৎ
ঊনকোটিতে
অনুষ্ঠিত হয় এই বারুনী উৎসব সেইভাবেই এই অম্বিকা কুন্ডেরও মান্যতা রয়েছে।
এলাকারবাসীর দাবি যে দীর্ঘবছর থেকে এই কুন্ডের এবং মন্দিরের কোন ধরনের সংস্কারমূলক বা উন্নতি মূলক কোন কার্যক্রমই হচ্ছে না এবং এই অম্বিকা কুন্ড নামে পরিচিত স্থানটিকে উন্নতির জন্য কেউ কোন প্রকারের প্রচেষ্টাই চালাচ্ছেন না। তাদের দাবি আজ পর্যন্ত কেউ এই অম্বিকা কুন্ডের কোন ধরনের কোন বিশেষ উন্নতির জন্য কোন সময়ে কেউ অগ্রসর হয়ে আসেননি নয়তো এই অম্বিকা কুন্ডটির দিকে সঠিক সময়ে যদি দৃষ্টিপাত করা হতো তাহলে রাজ্যের মধ্যে থাকা এই তীর্থস্থানটি একটি সঠিক মর্যাদা পেতো।
সবচাইতে দৃষ্টি আকর্ষণীয় বিষয় হল এখানে বাসিন্দারা হলেন খ্রিস্টান, মুসলিম এবং হিন্দু সবাই মিলে প্রতিবছর এই উৎসবকে ভরপুরভাবে ভাবে উপভোগ করেন এবং মান্যতা প্রদান করেন
বলে জানান স্থানীয়রা।
শুধু তাই নয় জাতি ধর্ম নির্বিশেষে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে এই দাবি তুলেছেন যেন এলাকার উন্নতির জন্য এবং জনস্বার্থে। বর্তমান বিজেপি সরকার যেন অতি শীঘ্রই দৃষ্টিপাত করে
এই এলাকায় এবং তাদের দাবি মেনে নিয়ে জনসাধারণের এবং তথা উত্তর জেলার উন্নয়নের স্বার্থে অতি শীঘ্রই
তাদের দাবি মেনে নিয়ে তীর্থস্থানটিকে একটি "পর্যটন কেন্দ্র" হিসাবে গড়ে তুলার প্রচেষ্টা শুরু হয় ।