নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ নিয়ে সংবিধান সংশোধন বিল পাস না হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের সমালোচনায় সরব হলেন বিজেপি নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিজয় সংকল্প সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বিজেপির পরিচয় নারী ক্ষমতায়ন ও নারীর সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত। সেই কারণেই দেশের প্রতিটি রাজ্যের বোনেরা ও মেয়েরা বিজেপিকে পরম আশীর্বাদে ভরিয়ে দেন। আমরা চাই একটি বিকশিত ভারত গড়ার ক্ষেত্রে মেয়েদের ভূমিকা আরও প্রসারিত হোক এবং আরও বেশি সংখ্যক মেয়ে রাজনীতিতেও প্রবেশ করুক। কিন্তু সংসদে কী ঘটেছে তা আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন। তৃণমূল আবারও বাংলার বোনদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।"প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, "এই সেই তৃণমূল কংগ্রেস, যারা অনুপ্রবেশকারীদের সুবিধা দেওয়ার জন্য প্রতিটি আইন ও নিয়ম ভঙ্গ করে। এই সেই তৃণমূল কংগ্রেস, যারা ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ প্রদানে লিপ্ত। এই তৃণমূল সংবিধানের চেতনাকে কণ্ঠরোধ করতে লিপ্ত।" প্রধানমন্ত্রী বলেন, "এখন সারা বিশ্ব রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জি-কে সম্মান জানায়, কিন্তু আদিবাসী-বিরোধী তৃণমূল তাঁকে অপমান করে। এখানে বাংলায়, যখন রাষ্ট্রপতি জি এসেছিলেন, সারা দেশ দেখেছে তৃণমূল কীভাবে তাঁকে অপমান করেছে। বাংলার বোনেরা রাষ্ট্রপতির প্রতি এই অপমান কখনও ভুলবেন না।"তৃণমূলকে ভৎসর্না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলার মহিলারা ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ চেয়েছিলেন। মোদী তা নিশ্চিত করেছিল। বাংলার মহিলারা চেয়েছিলেন ২০২৯ সাল থেকে এটি কার্যকর হোক। মোদী এর জন্যও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তৃণমূল চায়নি যে বাংলার আরও মেয়েরা বিধায়ক ও সাংসদ হোক, কারণ বাংলার মেয়েরা তাদের 'মহা জঙ্গল রাজ'-কে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছিল। তাই তৃণমূল, কংগ্রেসের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের আইনটি পাস হতে বাধা দিয়েছিল।"