নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহার পৌরোহিত্যে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় । বৈঠকে তিনটি দপ্তরের মোট ৮১ টি শূন্য পদ পুরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই দপ্তর গুলি হল পূর্ত দপ্তর, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং অর্থ দপ্তর ।এর মধ্যে পূর্ত দফতরে ২৬ টি এলডিসি পদ পূরণ করা হবে। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে পূরণ করা হবে ৫০ টি শূন্য পদ ।এগুলি হল ট্রান্সলেটর ,রিপোর্টার, স্ক্রিপ্ট রাইটার ,কালচারাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ,অ্যাসিস্ট্যান্ট ফটোগ্রাফার ,ফক আর্টিস্ট, এসিস্ট্যান্ট লাইব্রেরিয়ান এবং এলডিসি ।এছাড়া অর্থ দপ্তরের অধীন ক্ষুদ্র সঞ্চয় বিভাগে ৫ জন স্মল সেভিংস ইন্সপেক্টর নিয়োগ করা হবে ।এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই কথা জানান রাজ্য মন্ত্রিসভার মুখপাত্র সুশান্ত চৌধুরী।সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রবক্তা সুশান্ত চৌধুরী এক প্রশ্নের উত্তরে জানান ,রাজ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী থেকে শুরু করে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে ।নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার সজাগ রয়েছে ।টাস্কফোর্স এবং মহকুমা শাসকরা প্রতিনিয়ত অভিযান জারি রেখেছেন। যেখানেই অভিযোগ পাচ্ছেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। দোকান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে ।পেনাল্টি করা হচ্ছে ।এই প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে ।নিয়ম ভাঙ্গলে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না ।কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি ঘটালে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সরকার।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান, বর্তমানে ছবিমুড়া পর্যটন কেন্দ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে ।একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশ তৈরি হয়েছিল ।যে সোসাইটি বর্তমানে ছবি মুড়ার বোটিং ব্যবস্থা পরিচালনা করছে তার সাথে রাজ্য পর্যটন দপ্তরের ২০২৭ সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে। সোসাইটিতে স্থানীয় তিপরা মথার কয়েকজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।