নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীতে একটি বেসরকারি হোটেলে বৃহস্পতিবার থেকে নিবিড় ম্যালেরিয়া নির্মূল প্রকল্পের অধীনে উত্তর পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য ও , ঝাড়খন্ড, উড়িষ্যা এবং ছত্রিশগড় এই রাজ্যগুলির আঞ্চলিক পর্যালোচনা বৈঠক শুরু হয়েছে ।জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ত্রিপুরা ,স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ ত্রিপুরা সরকার এর যৌথ সহযোগিতায় এই পর্যালোচনা বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। পর্যালোচনা বৈঠকের শুভ সূচনা করেন রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য সচিব কিরন গিত্তে ।উপস্থিত ছিলেন নিবিড় ম্যালেরিয়া নির্মূল প্রকল্পের আধিকারিক ডক্টর তনু জৈন, উত্তর পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য এবং ঝাড়খন্ড ,উড়িষ্যা ছত্রিশগড় রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। এই বৈঠকের উদ্বোধন করে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্তে বলেন ,ভারত সরকার এবং ত্রিপুরা সরকারের জনস্বাস্থ্য কর্মসূচির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হল ম্যালেরিয়া নির্মূল করা ।তিনি জানান, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ,দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং সময়মতো সম্পূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজ্যে ম্যালেরিয়া সংক্রমনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে ।তিনি আরো জানান ,রাজ্যের একমাত্র ধলাই জেলাতে এর কিছুটা প্রকোপ রয়েছে ।বাকি জেলাগুলির পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে ।স্বাস্থ্য সচিব আরো জানান, ম্যালেরিয়া নির্মূলিকরণে রাবার বাগান ,জুম চাষ এবং লোকালয় সংলগ্ন জলাশয় গুলির উপর বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।এই পর্যালোচনা বৈঠকে বক্তব্য রাখেন ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধীন ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেক্টর বর্ণ ডিজিস কন্ট্রোল এর আধিকারিক ডক্টর তনু জৈন। তিনি জানান নিবিড় ম্যালেরিয়া নির্মূল প্রকল্প-৩ এর অধিন ২০২৭ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া নির্মূলে জাতীয় লক্ষ্য হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন রাজ্যের আধিকারিকদের কেস ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ ,দ্রুত এবং নির্ভুল রোগ নির্ণয় ও মশা নিয়ন্ত্রক কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন ।এদিন পর্যালোচনা বৈঠকের উদ্বোধনী কার্যকলাপ একটি বেসরকারি হোটেলে অনুষ্ঠিত হলেও শুক্র এবং শনিবার প্রজ্ঞা ভবনে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।