নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ জিবি হাসপাতাল তথা এজিএমসির এক পিজি ছাত্রীর হোস্টেল রুম থেকে মোবাইল চুরির ঘটনায় রাজ্য জুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন মহল থেকে বিষয়টিকে কলকাতার আর জি কর কান্ডের সাথেও তুলনা করা হয়। কিন্তু সব জল্পনা-কল্পনাই সার। ছাত্রীর মোবাইল উদ্ধার করেছে পুলিশ ।সেই সাথে মোবাইল চোর কেও পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে । চলতি বছরের জুলাই মাসের ৩১ তারিখ রাতে এজিএমসির পিজি হোস্টেলের এক ছাত্রীর রুম থেকে এই দু:সাহসিক মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটে। চোরটিকে সিসিটিভির ক্যামেরায় এজিএমসির প্রেক্ষাগৃহের দিকে দৌড়ে চলে যেতে দেখা গেলেও তার পেছনের ছবি ধরা পড়েছিল সিসিটিভি ক্যামেরায়। বুধবার রাতে ঘটনাচক্রে তাকে আটক করে অভয়নগর ফাঁড়ি ও জিবি ফাঁড়ির পুলিশ। অন্য একটি ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের এই সাফল্য আসে। জানা গেছে সম্প্রতি এজিএমসির কমিউনিকেটিভ মেডিসিন বিভাগের রুম থেকে একটি ল্যাপটপ ,দুটি মোবাইল এবং একটি হাত ঘড়ি চুরি হয়। ঘটনাটি সাথে সাথে এনসিসি থানায় লিখিত আকারে জানানো হয়। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর এসএসসি থানা কর্তৃপক্ষ একটি মামলা হাতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করে। ল্যাপটপ ও মোবাইল চুরির তদন্তে নিযুক্ত ছিলেন জিবি ফাঁড়ির এস আই সোপান দাস। তদন্তে নেমে এস আই সোপান দাস কুঞ্জবন কোয়াটার কমপ্লেক্স থেকে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে ।তার কাছ থেকে চুরি যাওয়া মোবাইল এবং ল্যাপটপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ ।বুধবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ জন্য পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ কালে তার আরও এক সহযোগীর নাম পায় পুলিশ। বুধবার রাতেই এস আই সুপান দাস এবং এস আই জয়নাল হোসেন অভিযানে নেমে পোলো টাওয়ার হোটেল সংলগ্ন এলাকা থেকে এই যুবককে গ্রেফতার করে ।তার কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল উদ্ধার করে পুলিশ। এর মধ্যে একটি মোবাইল ছিল এজিএমসির ছাত্রী নিবাস থেকে চুরি যাওয়া মোবাইলটি । বৃহস্পতিবার এনসিসি থানার ওসি পরিতোষ দাস এই সংবাদ জানান। তিনি জানান ঘটনার তদন্ত চলছে। তাই ধৃত অভিযুক্তের নাম এখনই প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি।এদিকে বুধবার রাতে পূর্ব থানাধীন চিত্তরঞ্জন রোড এলাকার জয়পুর মার্বেল হাউসে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে ।চোরের দল শাটার ভেঙে দোকানে প্রবেশ করে এবং ক্যাশ বাক্স থেকে লক্ষাধিক টাকা নিয়ে যায়। এই ঘটনায় রাতের আঁধারে শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এদিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট দোকানের মালিক এবং ম্যানেজার। এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব থানাধীন চিত্তরঞ্জন রোড এলাকার অন্যান্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।