নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ একজন প্রসূতি মায়ের সঙ্গে পৃথিবীর আলো দেখার আগেই মৃত্যু হলো তাঁর গর্ভস্থ সন্তানের। আর এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের প্রশ্নের মুখে ঊনকোটি জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।পরিবারের কর্তা লায়ক আলি অভিযোগ করেন, মহকুমা হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকা প্রসূতির প্রসবের শেষ মুহূর্তে যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। পরে তাঁকে জেলা হাসপাতালে পাঠানো হলেও সেখানে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অনুপস্থিতির কারনেই মৃত্যু হয় নুর জাহানারা বেগম ও তার গর্ভস্থ সন্তানের। এমনটাই অভিযোগ করেন পরিবারের লোকজন। একদিকে চিকিৎসকের গাফিলতির অভিযোগ, অন্যদিকে জেলা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব—দুইয়ের মাঝখানে প্রাণ হারালেন ২৪ বছরের এক তরুণী মা এবং তাঁর অনাগত সন্তান। প্রশ্ন উঠছে, একটি জেলা হাসপাতালে যদি সংকটজনক প্রসূতির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নের দাবি যতই করা হোক না কেন, বাস্তবের এই ভয়াবহ চিত্র প্রশাসনের সামনে বড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল।ঊনকোটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এই ভঙ্গুর চিত্রের দায় কে নেবে? আর কত প্রাণ গেলে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে—সেই প্রশ্নই এখন তুলছে সাধারণ মানুষ।