নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃঘটনার বিবরনে জানাযায় শান্তির বাজার মহকুমার অধীনে পশ্চিম মুহুরীপুর এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর চক্রবর্তীর বাসভবনথেকে শঙ্কর চক্রবর্তী ও উনার সহধর্মীনি ছবি চক্রবর্তীর মৃতদেহ রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করাহয়। অপরদিকে একইঘরে শঙ্কর চক্রবর্তীর ছেলে কৃষ্ণ চক্রবর্তীর মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধারকরাহয়। লোকগুঞ্জনে শুনাযাচ্ছে ছেলে মা ও বাবাকে হত্যাকরে নিজে আত্মঘাতীহয়েছে। তবে এই মৃত্যুকান্ডনিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। ঘটনার খবরপেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিতহয় বাইখোড়া থানা, বিলোনিয়া থানার পুলিশ সহ দক্ষিনজেলার অতিরুক্ত পুলিশসুপার। এই হত্যাকান্ডনিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনেজানাতেগিয়ে শঙ্কর চক্রবর্তীর অপর ছেলে মিঠুন চক্রবর্তী জানান উর ভাই কৃষ্ণ চক্রবর্তী একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কাজকরে। সে অন্যান্যদিনের ন্যায় কাজেগিয়েছিলো কিন্তু আজ তারাতারি কাজথেকে ফিরেএসেছে। বাড়ীতে ফিরে এসে মিঠুন চক্রবর্তীকে বলে উর বাবাকে ডেকেএনে স্থান করানোর জন্য এবং সকলে যাতে স্থানকরেনেন। স্থানকরে বাইরে বেরহবে বলে জানান। পরবর্তীসময় সকলে স্থান সারলে মিঠুন চক্রবর্তীকে উর কাকার বারিতে লকারের চাবি আনতে পাঠায়। পরবর্তীসময় মিঠুম চক্রবর্তী চাবি আনতেগিয়ে ভাই ও মাকে ফোনকরে ফোনেনাপেয়ে বারিতে ফিরেআসে। বারিতেএসে দেখতেপায় ঘরের দরজা জানালা লাগানো। মিঠুন চক্রবর্তী সকলকে অনেক ডাকাডাকি করে নাপেয়ে বাড়ীর পেছনেয় দিকদিয়ে জানালাদিয়ে দেখতেপায় উরভাই কৃষ্ণচক্রবর্তী ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। ভাইকে বাচাতেগিয়ে দেখতেপায় উর মায়ের গলা কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় পরেরয়েছে ও উর পিতার মাথায় আঘাতকরা অবস্থায় রয়েছে। মা ও বাবা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়েরয়েছে ও ভাই জুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এই অস্বাভাবিক মৃত্যুনিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী জানান উর ভাই কৃষ্ণ চক্রবর্তী একটি মেয়েকে ভালোবাসতো এবং তাকে কোর্টমেরেজ করেছে। এইনিয়ে ছেলের বাড়ীর লোকজনেরা সবকিছু মেনে নিয়েছে কিন্তু মেয়ের বাড়ীথেকে এই বিয়ে মেনে নিতে পারছেনাবলে জানাযায়। এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর পেছনে মেয়ের বাড়ীর লোকজনদের দায়ী করছে মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুন চক্রবর্তী জানান উর পরিবারে কোনপ্রকারের অশান্তি ছিলোনা। পুলিশের তদন্তক্রমে মৃত্যুর আসল রহস্য উঠেআসবে। এখন দেখার বিষয় মৃত্যুর আসল রহস্য উন্মোচনে পুলিশ কিপ্রকার পদক্ষেপ গ্রহনকরে।