নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ ২০২৬ সালে সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন যাত্রা শুরু করেছেন অভিনেতা আমির খান। সম্প্রতি অভিনেতা প্রকাশ করেছেন, একটি প্রদাহ-বিরোধী ডায়েট অনুসরণ করার মাধ্যমে তিনি ১৮ কেজি ওজন কমিয়েছেন। তবে এই ওজন হ্রাস নির্দিষ্ট কোনো চরিত্রের জন্য নয়, বরং দীর্ঘদিনের মাইগ্রেন সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে আমিরের নতুন ছবি ‘হ্যাপি প্যাটেল: খতরনাক জাসুস’। এর মুক্তির আগেই বলিউড হাঙ্গামার সঙ্গে আলাপচারিতায় ‘মি. পারফেকশনিস্ট’ খ্যাত এ অভিনেতা তার এ রূপান্তরের কথা প্রকাশ করেন। কত কেজি ওজন কমিয়েছেন বলতে গিয়ে হেসে আমিরের জবাব, ‘আসলে আঠারো কেজি।’ এর পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অভিনেতা বলেন, ‘এটা স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে। স্বাস্থ্যগত কারণে আমি যে নতুন ডায়েট অনুসরণ করছি, সেটা আমার জন্য জাদুর মতো কাজ করেছে।’ তবে অভিনেতার জন্য ওজনের চেয়েও বড় প্রাপ্তি হল মাইগ্রেনের উপশম। এ প্রসঙ্গে আমির জানান, এই ডায়েটের সুফল কেবল ওজন কমানোতেই সীমাবদ্ধ নয়। ‘আমি মূলত মাইগ্রেনের সমস্যার জন্যই এই ডায়েট গ্রহণ করি। এটি একটি প্রদাহ-বিরোধী ডায়েট। শুধু ওজনই কমেনি, আমার মাইগ্রেনও অনেকটাই কমে গেছে,’ বলেন তিনি। তাই বলা যায়, এই ডায়েটটি অনুসরণ করে এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন এই গজিনি তারকা। প্রসঙ্গত, প্রদাহ-বিরোধী ডায়েট এমন এক খাদ্যাভ্যাস, যা শরীরের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়। দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ বলতে মাইগ্রেন, জয়েন্টের ব্যথা ও অতিরিক্ত ক্লান্তির মতো সমস্যাগুলোকে বোঝায়। এই ডায়েটে সাধারণত তাজা শাকসবজি, ফলমূল, বাদাম, বীজ এবং জলপাই তেলের মতো স্বাস্থ্যকর চর্বিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার, পরিশোধিত চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে এই সময়টায় আমিরের খাবার তালিকার বিস্তারিত কিছুই জানা যায়নি।