নববর্ষে বাজারে দ্রব্য সামগ্রীর অগ্নিমূল্যে হাতে ছ্যাঁকা ক্রেতাসাধারণের

Apr 16, 2026

নববর্ষে বাজারে দ্রব্য সামগ্রীর অগ্নিমূল্যে হাতে ছ্যাঁকা ক্রেতাসাধারণের

নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ

নববর্ষের বাজারে দ্রব্য সামগ্রীর অগ্নিমূল্যে হাতে ছ্যাঁকা ক্রেতা সাধারণের ।সাধ আর সাধ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রেখে নববর্ষের রসনাতৃপ্তির বাজার সেরেছেন ক্রেতা সাধারণ।

 

বুধবার থেকে পথ চলা শুরু ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের। বাংলা শুভ নববর্ষ মানেই সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে গৃহকর্তার ব্যাগ হাতে বাজারে ছোটা। কারণ বাঙালির বারো মাসে তের পর্বনের অন্যতম একটি হলো এই বাংলা শুভ নববর্ষ। এদিন সাধ্যমত সকলেই পরিবারের সবাই একসাথে মিলে ভালো মন্দ আহার করেন ।কিন্তু বাজারে গিয়েই ক্রেতা সাধারণের মাথায় হাত। মাছ মাংসের দাম অনেকটাই বেশি ।নববর্ষের দিন রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে পোল্ট্রির মোরগ বিক্রি হয়েছে ২২০ টাকা কিলো দরে ।দেশি মোরগের দাম ছিল ৭০০ টাকা প্রতি কিলো ।আর পাঁঠার মাংস এদিন বিক্রি হয়েছে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা কিলো দরে । বাজারের এক মাংস ব্যবসায়ী জানান ,এবার মাংসের ক্রয় মূল্য তাদের কাছেই অনেকটা বেশি পড়েছে। তাই পোল্ট্রি এবং দেশী মোরগের বিক্রয় মূল্য কিছুটা বেশি ।

এদিন বাজারে রুপোলি শস্যের দাম ছিল ওজন অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন ।এক কিলো থেকে দেড় কিলো ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হয়েছে ১৮০০ টাকা কিলো দরৈ।এক কিলোর নিচের রূপলি শস্যের দাম ছিল বারোশো টাকা কিলো। এমনটাই জানালেন রাজধানীর এক মৎস্য বিক্রেতা। তিনি জানান, এবছর বাংলাদেশ থেকে বেশ ভালো পরিমান কাঁচা ইলিশ এসেছে। নববর্ষের বাজারে চাহিদাও রয়েছে ইলিশ মাছের।

 

শুধু মাত্র মাছ- মাংসেরই মূল্য বৃদ্ধি পায়নি ।  নববর্ষের বাজারে অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রির মূল্যও কিছুটা বেশি ছিল ।তবে বছরে একটি দিন বলে কথা , তাই  মানুষ সাধ আর সাধ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রেখেই কেনাকাটা করেছেন।

বিভাগ