নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ প্রয়াত ও প্রাক্তন রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নয়া মোর। প্রয়াত মহা নির্দেশকের লেখা সুইসাইড নোট উদ্ধার করা গেছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়টি সোমবার বিধানসভায় উত্থাপন করেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। তিনি জানান বিধানসভায় সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী যে বিবৃতি দিয়েছেন তাতে প্রয়াত মহা নির্দেশকের সুইসাইড নোটের কোন উল্লেখ ছিল না। বিষয়টি দেখেই রবিবার রাজ্যে উড়ে আসেন প্রয়াত মহা নির্দেশকের স্ত্রী। তিনি পুলিশ আধিকারিকদের কাছে সুইসাইড নোটের প্রতিলিপি চান। কিন্তু তাকে জানানো হয় এমন কোন সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি ।তখন মৃত্যুর ঠিক কিছুক্ষণ আগে মোবাইল হোয়াটসঅ্যাপ যোগে তার কাছে পাঠানো সুইসাইড নোটের কথা বলেন প্রয়াত মহা নির্দেশকের স্ত্রী। এই বিষয়টি নিয়ে সোমবার বিধানসভায় স্পষ্টিকরণ চান কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। বিষয়টি নিয়ে জোরালো দাবি তুলতেই তাকে বিধানসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদিন বহিষ্কারের পর সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই দাবি করেন কংগ্রেস বিধায়ক। তিনি জানান, বিধানসভায় ডিজিপির মৃত্যু নিয়ে যে বিবৃতি মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন তা মিথ্যে । পবিত্র বিধানসভায় এই ধরনের মিথ্যে বিবৃতি দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকা উচিত নয় অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহার।। সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেস বিধায়ক নিজের বিধায়ক পদ বাজি রেখে জানান ,মুখ্যমন্ত্রী সব বিষয় জানেন ।কে মহা নির্দেশকের সুইসাইড নোট লোপাট করেছেন তাও জানেন তিনি। কংগ্রেস বিধায়ক বলেন ,মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই ঘটনায় দায়ী ।তিনি প্রয়াত ও প্রাক্তন ডিজিপিকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছেন। বিধানসভায় এই কথা বলতেই অধ্যক্ষ উনার পদকে অপব্যবহার করে অন্যায় ভাবে তাকে বহিষ্কার করেছেন বলে জানান তিনি। এদিকে কংগ্রেস বিধায়কের এই অভিযোগ উত্থাপনের পর এখন বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে প্রয়াত ও প্রাক্তন রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশকের সুইসাইড নোট কোথায় এবং এতে কি লেখা ছিল। সংশ্লিষ্ট বিষয়টি এখনই প্রকাশিত না হলেও তা বেশিদিন চাপা থাকবে না বলে বিভিন্ন মহলের অভিমত।