ঊনকোটি জেলার বিভিন্ন জায়গাতেও পালিত হয় খুশির ঈদ।

Mar 22, 2026

ঊনকোটি জেলার বিভিন্ন জায়গাতেও পালিত হয় খুশির ঈদ।

নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ

টানা একমাস রমজান পালনের পর শনিবার ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পার্বণ ঈদুল ফিতার। বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে এদিন ঈদ পালন করলেন ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষ। বিভিন্ন জায়গায় চললো ঈদের নামাজ পাঠ, নিজেদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টিমুখ।ত্রিপুরার বিভিন্ন জায়গায়‌ও ঈদ উপলক্ষে দেখা গেলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে খুশির আমেজ। ঊনকোটি জেলার বিভিন্ন জায়গাতেও পালিত হয় খুশির ঈদ। প্রতিটি মসজিদে মসজিদে এদিন ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। ফটিকরায়ের সায়দারপাড় তেগ‌আলিপাড়া মসজিদ এবং চৌমুহনী বাজার জামে মসজিদের ঈদগাহে এদিন দেখা গেলো ঈদের নামাজ আদায়ে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ। উৎসব প্রসঙ্গে সায়দারপাড়‌ তেগ‌আলিপাড়ার বাসিন্দা মসব্বির আলী বলেন, টানা একমাস রমজান শেষে খুশির ঈদ পালনে নমাজ পাঠ করতে সমবেত হয়েছেন সবাই। ঈদ উপলক্ষে সাজানো হয়েছে ঈদগাহের মাঠকেও। তিনি বলেন ইসলামিক ধর্ম অনুসারে প্রতিবছরই দুটি ঈদ পালন করেন তারা। তিনি বলেন ঈদ উপলক্ষে এদিন একে অপরের বাড়িতে যান তারা। চলে রকমারি খাওয়া দাওয়া থেকে বস্ত্র দান। বাইট---মসব্বির আলী।

 

 

এদিকে ঈদ উপলক্ষে চৌমুহনী বাজারের জামে মসজিদেও দেখা গেল ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ। ঈদের নামাজ পাঠ করতে এদিন সকাল থেকেই মসজিদে ভিড় জমান মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ। ঈদ উপলক্ষে রাতাছড়া এলাকার বাসিন্দা মতাহির মিয়া বলেন, ঈদের নামাজ আদায় করতেই মসজিদে উপস্থিত হয়েছেন তারা। পাশ্ববর্তী মহল্লার মানুষও শামিল হয়েছেন এই নামাজে এবং সবার মধ্যেই দেখাযাচ্ছে যথেষ্ট উৎসাহ উদ্দীপনা। তিনি বলেন একে অপরের বাড়িতে গিয়ে মতবিনিময় এবং খাওয়া-দাওয়ার মধ্যদিয়ে কাটবে তাদের আজকের এই দিন। তিনি বলেন বংশপরম্পরাগতভাবে পালিত হয়ে আসছে তাদের এই ঈদের নমাজ।বাইট---মোহাম্মদ মতাহির মিঞা।

ঈদ উপলক্ষে এদিন পরস্পরের মধ্যে চলে শুভেচ্ছা বিনিময় থেকে মিষ্টি মুখ। এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন মসজিদ এবং সংলগ্ন রাস্তায় পরিলক্ষিত হয় ইসলাম সম্প্রদায়ের মানুষের ভিড়। ধর্মীয় সাজে নতুন পোশাকে সজ্জিত হয়ে এদিন ঈদের নামাজে শামিল হন আট থেকে আশি সকলেই। ঈদ উৎসবকে কেন্দ্রকরে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য বিভিন্ন এলাকায় এদিন সকাল থেকেই তৎপর ছিলো আরক্ষা প্রশাসন‌ও।