রাজ্য ও রাষ্ট্রের সার্বিক শান্তি সম্প্রীতি সৌহার্দ্য এবং জাতীয় সংহতির বার্তা ছড়িয়ে রাজ্যেও শনিবার পালিত পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ।এই উপলক্ষে এদিন রাজধানীর শিবনগরের গেদু মিয়ার মসজিদে নামাজ আদায় করা হয় ।নামাজ পরিচালনা করেন হজরত মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেম। রাজধানী ও রাজ্যের অন্যান্য মসজিদগুলিতেও এদিন ঈদ উল ফিতরের নামাজ আদায় ঘিরে সংখ্যালঘু জনগণের উপস্থিতি ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মত।
শুক্রবার সন্ধ্যারাতে চাঁদ দেখার পর শনিবার রাজ্যেও যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হিসেবে বিবেচিত পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উৎসব ।ঈদ উল ফিতর এমন একটি উৎসব যা প্রথাগতভাবে বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সান্নিধ্যে অতিবাহিত হয় এবং যার মূল বৈশিষ্ট্য হলো সম্মিলিত ভোজ ও উপহার আদান-প্রদান । এদিন ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে রাজ্যের প্রত্যেকটি মসজিদে বিশেষ নামাজ আদায় করা হয় ।এই উপলক্ষে রাজধানীর শিবনগরের গেদু মিয়ার মসজিদে নামাজ আদায় উপলক্ষে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত ।এদিন এই মসজিদে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নামাজ পরিচালনা করেন হজরত মাওলানা আব্দুর রহমান কাশেম। নামাজ আদায়ের পর উপস্থিত সকলে একে অপরকে আলিঙ্গনের মধ্য দিয়ে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা আদান-প্রদান করেন। সকলেই সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উৎসব উপলক্ষে শিবনগর গেদু মিয়া মসজিদের ইমাম হজরত মাওলানা আব্দুর রহমান কাশেম বলেন, একমাস ধারাবাহিক রমজানের রোজা রাখার পর আজ পবিত্র ঈদ-উল ফিতর। একমাস রোজার মাধ্যমে আল্লাতালাকে ধৈর্য ও উপবাসের মাধ্যমে সন্তুষ্ট করার পর আল্লাতালার পক্ষ থেকে এই খুশির দিন উপহার হিসেবে আসে ।এই পবিত্র দিনে রাজ্য এবং রাষ্ট্রের সার্বিক শান্তি সম্প্রীতি সৌহার্দ্য ও জাতীয় সংহতি যেন আরো মজবুত হয় আরো সুদৃঢ় হয়, আমাদের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য যেন আরো শক্তিশালী হয় তার জন্য আল্লাতালার নিকট দুয়া প্রার্থনা করেন তিনি।
এদিন শুধু শিবনগরের গেদু মিঞার মসজিদেই নয়, টাউন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সহ রাজধানী ও রাজ্যের সবকটি মসজিদে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয় ।এই উপলক্ষে মসজিদ গুলিতে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।