আবারো বড় প্রশ্ন উঠলো গোমতী জেলা হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে।

Jan 23, 2026

আবারো বড় প্রশ্ন উঠলো গোমতী জেলা হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে।

নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ

আবারো বড় প্রশ্ন উঠলো গোমতী জেলা হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে। ইমারজেন্সি পরিষেবা, সিটি স্ক্যান সোনোগ্রাফি এখন প্রশ্নচিহ্নের মুখে। হঠাৎ হঠাৎ থমকে দাঁড়ায় গোমতী জেলা হাসপাতালের সিটি স্ক্যানিং পরিষেবা আর আলট্রা সোনোগ্রাফির পরিষেবা। হাসপাতালে কর্মরত অনেকেরই বক্তব্য, বিদ্যুৎ সংযোগের ত্রুটি বিচ্যুতি জনিত ঘটনা এটা। যদিও হাসপাতালে বিভিন্ন পরিষেবার ঘোষণা দিয়ে বড় বড় সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করে হাসপাতালের এসব পরিষেবা যদি জনগণের  কাজেই না লাগে তাহলে এসব পরিষেবার বড় বড় ঘোষণাপত্র হাসপাতালে ঝুলিয়ে দেওয়ার কি মানে? শুধু তাই নয়, অফিস টাইমে এবং এমনকি আউটডোর চলাকালীন সময়ে ডাক্তার বাবুরা নিয়ম করে অনুপস্থিত থাকেন।  হাসপাতালে হলফ করে লেখা আছে ভেতরে বাইরের এজেন্টের ঘোরাফেরা নিষিদ্ধ। কিন্তু হাসপাতালের ভেতরে বিভিন্ন পরীক্ষাগারে এজেন্টের অবাধ ঘোরাফেরা।  অফিস চলাকালীন সময়ে ফোকাস ত্রিপুরার স্ট্রিং অপারেশনের গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়ে অনেক দৃশ্য। যেখানে দেখা যাচ্ছে আউটডোর চেম্বার খোলা আছে অথচ ডাক্তার নেই। ফার্মাসি খোলা আছে, কিন্তু ফার্মাসিস্ট নেই। চিফ মেডিকেল অফিসার এর মতে , সিটি স্ক্যান মেশিন বন্ধ হবার ঘটনাটি উনার জানা এবং এটা বৈদ্যুতিক গোলযোগ জনিত একটা ঘটনা। কিন্তু  সিটি স্ক্যান পরিষেবাতো প্রায়ই থমকে যাচ্ছে। এমনকি ইমারজেন্সি পরিষেবার সময়ও থমকে যাচ্ছে সিটি স্ক্যান। আল্ট্রাসনোগ্রাফির গোলযোগ এবং আউটডোরে ডাক্তারবাবুদের অনিয়মিত উপস্থিতির বিষয়ে সি এম ও কমল রিয়াঙ্ক খোঁজখবর নেবেন বলে জানান। বিউরো রিপোর্ট ফোকাস ত্রিপুরা। সবার পাশে সব সময়।

বিভাগ