বিয়েবাড়িতে গান গাওয়া নিয়ে পুরোনো বিতর্ক টানলেন অভিজিৎ

Jul 23, 2026

বিয়েবাড়িতে গান গাওয়া নিয়ে পুরোনো বিতর্ক টানলেন অভিজিৎ

নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃবলিউড অভিনেত্রী নেহা কক্করের সঙ্গে পুরোনো বিতর্ক নিয়ে আবার মুখ খুললেন সংগীতশিল্পী অভিজিৎ ভট্টাচার্য। দুই বছর আগে ‘সুপারস্টার সিঙ্গার ৩’ অনুষ্ঠানে বিয়েবাড়িতে গান গাওয়া নিয়ে দুজনের মধ্যে মতবিরোধ হয়েছিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই প্রসঙ্গেই আবার কথা বলেন এ সংগীতশিল্পী। নেহার এক কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিজিৎ ভট্টাচার্য। এর পাশাপাশি কয়েকজন গায়ক এবং তাদের দলের অতিরিক্ত চাহিদার সমালোচনা করেন তিনি। কেন তিনি কোনো দিন বিয়েবাড়িতে গান করেননি, সেটাও জানালেন এ সংগীতশিল্পী।গায়ক বলেন, আমি ওর নাম নিয়ে ওকে প্রচার দিতে চাই না। তিনি খুব ভালো গায়িকা। কিন্তু এখন তিনি কোথায়? ‘আমি এক কোটি টাকা নিই’, তিনি বলেছিলেন। আসলে এসব বাজারে নিজের দাম বাড়ানোর কৌশল। আমি কী করে বলব, আমি ৫ কোটি, ১০ কোটি কিংবা ৫০ লাখ টাকা নিই? আমি এভাবে কাজ করি না।নেহার নাম না করেই অভিজিৎ আরও বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে খ্যাতি পেয়েছিলেন গায়িকা। তিনি তখন একেবারে তরুণী ছিলেন। হঠাৎ করেই অনেক বড় হয়ে গেলেন। এভাবে হয় না। নিজের প্রচার কর, ঠিক আছে। তবে এভাবে নয়।রাতারাতি জনপ্রিয় হওয়া কিছু গায়কের নানা দাবিদাওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন অনুষ্ঠানের আয়োজকরা। তবে এ প্রসঙ্গে শ্রেয়া ঘোষালের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আয়োজকরাই আসল ভুক্তভোগী। তাদের সর্বনাশ হয়ে যায়। আমি কারও নাম বলছি না। কিন্তু যারা রাতারাতি বিখ্যাত হয়েছেন, তাদের শ্রেয়ার কাছ থেকে শেখা উচিত। কেউ এক-দুটি বা দশটি গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়েছেন। এখন আর তাদের দেখা যায় না। অথচ আয়োজকদের অনেক সমস্যায় ফেলেছেন। এর আগে ২০২৪ সালে ‘সুপারস্টার সিঙ্গার ৩’-এর একটি পর্বে এক প্রতিযোগীকে পরামর্শ দিতে গিয়ে অভিজিৎ বলেছিলেন— বিয়েবাড়িতে গান গেয়ে একজন শিল্পীর নিজের শিল্পকে বিক্রি করা উচিত নয়। শিল্পীর মর্যাদা টাকার বিনিময়ে মাপা যায় না। তবে অভিজিতের এ মন্তব্যের সঙ্গে একমত ছিলেন না অভিনেত্রী নেহা কক্কর। সেই অনুষ্ঠানে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন তিনি, বিয়েবাড়িতে গান গাওয়ায় কোনো অসম্মান নেই। যদি কোনো পরিবার ভালোবাসা ও সম্মান দিয়ে আমন্ত্রণ জানায়, তাহলে সেখানে অনুষ্ঠান করায় আপত্তির কিছু দেখেন না তিনি। কোনো কাজই ছোট নয়। একজন শিল্পী তার প্রতিভা দিয়ে মানুষের আনন্দের অংশ হয়ে উঠলে, তাতে লজ্জার কিছু নেই বলে জানান নেহা কক্কর।

বিভাগ