কিন্তু সরকারি এই নির্দেশ অমান্য করে রাজ্যের কিছু বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বাভাবিক দিনের মতো বিদ্যালয় খুলে রেখে পঠন-পাঠন চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা।
এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে তেলিয়ামুড়া মহকুমার ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের চাকমাঘাট মগবাড়ি এলাকায় অবস্থিত বিদ্যাসাগর পাঠশালা প্রি-প্রাইমারি বিদ্যালয়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, রাজ্য সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনামাকে উপেক্ষা করে ওই বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান চলার পাশাপাশি কোমলমতি শিশুদের নিয়ে পরীক্ষাও নেওয়া হচ্ছিল।
ঘটনাটি সাংবাদিকদের নজরে আসতেই তারা বিদ্যালয়ে পৌঁছান। সেই সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুশীল চৌধুরী বিভিন্ন আবেগঘন বক্তব্যের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পাওয়ার পরই পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িঘড়ি বিদ্যালয়ে চলমান পরীক্ষা বন্ধ করে ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, যা গোটা বিষয়টিকে আরও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
অন্যদিকে বিদ্যালয়ের একাধিক কোমলমতি ছাত্রছাত্রী জানিয়েছে, এই প্রবল ঠান্ডায় বিদ্যালয়ে আসা এবং দীর্ঘক্ষণ পড়াশোনা করা তাদের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিভাবক মহলেও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিভাবকদের দাবি, শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা কঠোরভাবে কার্যকর করা হোক।
এখন দেখার বিষয়, এই গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষা দপ্তর ও প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।