নিয়মিত রাত্রের কালিন প্রহড়া না দিয়ে মধুপুর দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে নাক ডেকে ঘুমোচ্ছে।

Mar 01, 2026

নিয়মিত রাত্রের কালিন প্রহড়া না দিয়ে মধুপুর দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে নাক ডেকে ঘুমোচ্ছে।

নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ

নিয়মিত রাত্রের কালিন প্রহড়া না দিয়ে মধুপুর দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে নাক ডেকে ঘুমোচ্ছে।যার পরিপ্রেক্ষিতে গত কয়েক মাসে পর পর দুইবার চুরি হয়ে যায় মধুপুর দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়। প্রথমবার চুরি হওয়ার পর শাসক দলীয় নেতৃত্বরা ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিল কিন্তু এবার আর দামাচাপা দেওয়ার মতো নয়। দুই নাইট গার্ড একজন হলেন নির্মল দেববর্মা। উনি আবার শাসক দলীয় পঞ্চায়েত  বুথ সভাপতি। আবার অন্যদিকে পঞ্চায়েত মেম্বারের স্বামী। অপরজন হলেন ধ্রুব সাহা। যার ফলে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে আরম্ভ করে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ। শুক্রবার রাত্রিবেলা চোরের দল হানা দিয়ে এক দুইটি রুম নয়, পরপর ৮ থেকে ১০টি রুমের তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে আলমিরা থেকে আরম্ভ করে সবকিছু এলোমেলো করে ফেলে চলে যাই। পরবর্তী সময়ে সকালবেলা বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারা এসে দেখতে পাই  প্রিন্সিপালের রুম, লাইব্রেরি, রান্নার ঘর, ভাইস প্রিন্সিপালের রুম, আরো কত কি রুমের দরজার তালা ভাঙ্গা অবস্থা রয়েছে। যদিও এ সময় বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল আসেনি। সহকারী প্রিন্সিপাল এসে কোন তাল মিল খুঁজে পাইনি। কি চুরি হয়েছে কত টাকা চুরি হয়েছে কি মেশিন নিয়ে গেছে তাও খুঁজে পাইনি। তবে চোরের দল আট থেকে দশটি রুমের দরজা ভেঙেছে এবং আলমিরা সহ কম্পিউটার রুম যে এলোমেলো অবস্থা রয়েছে তা থেকে পরিষ্কার মহামূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে চোরের দল। এদিকে অভিযোগ দুই নাইট গার্ড  প্রায় সময় বিদ্যালয়ে নিয়মিত রাত্রেবেলা প্রহরা  দিচ্ছে না। বাড়িতেই ঘুমাচ্ছেন। অন্যদিনের মতোই শুক্রবার দুইজনের মধ্যে একজন ও আসেনি প্রহরা দেওয়ার জন্য। বিদ্যালয়ের শিক্ষক সূত্রে খবর। যার ফলে চোরের দল ৮ থেকে দশটি রুমের তালা ভেঙ্গে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যাই। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো দুই নাইট গার্ড যেই ঘরে সর্বদাই ঘুমাই বিদ্যালয়ে সেই ঘরের দরজার তালা ভেঙ্গে নিয়ে যায় চোরের দল। তাহলে একপ্রকার পরিষ্কার শুক্রবার সেই দুই গুণধর  নাইট গার্ড স্কুলে প্রহরাদারে  আসেনি। এদিকে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রিন্সিপাল জানান মধুপুর থানায় লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তবে তদন্ত চলছে। নাইটগেট আদৌ দায়িত্ব পালন করেছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে। যদি দায়িত্বের অবহেলা করে থাকে তাহলে শাস্তি পেতে হবে। তা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করা হবে।