নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ মা আমি আরো বাঁচতে চাই। তিন বছর তিন মাসের শিশুটির এভাবেই উক্তি বুঝে নিলেন অসহায় মা। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস চিকিৎসা প্রায় শেষ পর্যায়ে। ডাক্তার বাবুরাও ক্লান্ত। অসহায় পরিবারের বাবা মৃদুল মিয়া রাজমিস্ত্রির কাজ করে কোন রকমের সংসার চালাচ্ছেন। ছোট্ট তিন বছর তিন মাসের কন্যা মরিয়ম সুলতানা মরণবেদী রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। নিজেদের সামর্থ যতক্ষণ ছিল রাজ্য এবং বহিরাজ্যে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেরে নিয়ে আসলেন।পরবর্তী সময়ে এলাকার জনগণের সহযোগিতায় এবং নেতৃত্বদের সহযোগিতায় কিছুটা হলেও চিকিৎসা করাতে পেরেছে। আর শেষ পর্যন্ত সেই ছোট্ট শিশুটির এই খবর শুনে ছুটে আসলেন আগরতলা থেকে লায়ন্স ক্লাব অফ আগরতলা সিটি ক্লাবের কর্মকর্তারা। সেই ছোট্ট শিশুটির বাড়ি গকুলনগর টিএসআর ক্যাম্প সংলগ্ন ঘরিয়া রাইস মিলের পাশে। লায়ন্স ক্লাব অফ আগরতলা সিটি ক্লাবের সভাপতি প্রদীপ সাহা, প্রাক্তন সভাপতি শংকর রায়, কেশিয়ার সুব্রত চক্রবর্তী, জুন চেয়ারপার্সন সজল কুমার পাল, সদস্য সুবীর দেববর্মা, বোর্ড অফ ডিরেক্টর শংকর দাশগুপ্ত সহ অন্যান্যরা। শনিবার সেই ছোট্ট শিশুটির পাশে দাঁড়িয়ে ক্লাবের কর্ম কর্তারা বলেন সকলে এগিয়ে আসুন সেই ছোট্ট শিশুটির পাশে দাঁড়ান। জীবনের শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে সেই ছোট্ট শিশুটি। আপনারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। একদিন ছোট শিশুটি ভগবানের কৃপায় বেঁচে উঠতে পারে। গকুলনগর টিএসআর ক্যাম্প সংলগ্ন ঘরিয়া রাইস মিলের পাশে মৃদুল মিয়ার কন্যা দীর্ঘ প্রায় এক বছর যাবৎ মরণবেদী রোগে আক্রান্ত হয়ে আছেন। মৃদুল মিয়া বর্তমানে অসহায় হয়ে পড়েন তার ছোট্ট শিশুটি চিকিৎসার জন্য সকলে এগিয়ে আসলে সকলের প্রতি তিনি আবেদন রাখেন। এদিকে শনিবার লায়ন্স ক্লাব অফ আগরতলা সিটি কর্মকর্তারা সেই ছোট্ট শিশুকে আর্থিকভাবে সাহায্য করেন এবং তাকে বিভিন্ন খেলনা এবং খাবার দিয়েও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।