পড়াশুনায় মনোযোগী হতে সামান্য গালমন্দ করায় অভিমানে চরম সিদ্ধান্ত নিল দ্বাদশ পড়ুয়া এক ছাত্রী। মৃতার নাম রুমি দাস ।ঘটনা বুধবার রাতে রানীর বাজারের পূর্ব চাম্পামুরা এলাকায়।
বাড়ির ছোট সন্তানরা একটু বেশি আদরের হয় ।এটাই বাস্তব ।তেমনি খুবই আদরের ছিল সুধীর দাসের ছোট মেয়ে রুমি দাস ।বাড়ি রানীর বাজারের পূর্ব চাম্পামুড়া এলাকায়। সবেমাত্র একাদশ শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয় রুমি ।সামনের বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষা নিয়ে তার পিতা পেশায় রড মিস্ত্রি সুধীর দাস মেয়েকে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য বলেছিলেন। সামান্য কিছুটা বকাঝকাও করেছিলেন তিনি ।আর এতেই অভিমানে জীবনের চরম সিদ্ধান্ত নিল বাড়ির সবার আদুরে কন্যা রুমি দাস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাতে নিজ ঘর থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে বাড়ির লোকজনেরা। সম্ভবত দাদুই বিষয়টি প্রথম দেখতে পেয়ে মৃতদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায থেকে নামিয়ে নেন ।তার দিদা এবং মা তখন বাড়ির পাশেই একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ছিলেন। দাদুর চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসেন। খবর পেয়ে ছুটে আসে পুলিশ ।তারা মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি জিবি হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। বৃহস্পতিবার জিবি হাসপাতালে এই কথা জানান মৃতার শোকগ্রস্ত পিতা সুধীর দাস।
এই ঘটনায় রানীর বাজারের চাম্পামুড়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।