নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ জনস্বার্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এনে Crime and Corruption Control Awareness Society, Tripura State Committee-এর পক্ষ থেকে ত্রিপুরা সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের মাননীয় স্বাস্থ্য সচিবের কাছে একটি অভিযোগপত্র প্রদান করে বিষয়টির নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও তথ্যভিত্তিক তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে।আমাদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ত্রিপুরা সরকারের উদ্যোগে প্রায় ২২ জন সরকারি নার্সিং স্টাফকে স্ববেতনে স্টাডি লিভ প্রদান করে বেঙ্গালুরুতে B.Sc. Nursing-এর উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি নার্সিং কর্মীদের উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং ভবিষ্যতে ত্রিপুরার স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়নে তাঁদের আরও দক্ষভাবে কাজে লাগানো।তবে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবি এবং সংগঠনের কাছে আসা একাধিক সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ উঠেছে যে, স্টাডি লিভে থাকা কয়েকজন নার্সিং স্টাফ দীর্ঘ সময় ধরে আগরতলা অথবা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। ফলে তাঁরা নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট কলেজ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তাঁদের উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, কোনও নার্সিং স্টাফ বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা হচ্ছে না। অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করার জন্যই এই তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তা স্টাডি লিভের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত করার পাশাপাশি সরকারি বেতন ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধার যথাযথ ব্যবহার নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলতে পারে।সংগঠনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্টাডি লিভে থাকা প্রত্যেক নার্সিং স্টাফের উপস্থিতি, অধ্যয়নের অবস্থা, একাডেমিক অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট কলেজের উপস্থিতি ও একাডেমিক নথিপত্র যাচাই করার আবেদন জানানো হয়েছে।প্রয়োজনে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট সময়কালে তাঁদের অবস্থান ও যাতায়াত সংক্রান্ত তথ্যও যাচাই করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশ, স্টাডি লিভ সংক্রান্ত নথি, উপস্থিতির রেকর্ড, একাডেমিক নথি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষণের আবেদন জানানো হয়েছে।