এইচপিভি টিকার আবিষ্কার বিকশিত ভারত বাস্তবায়নের এক অন্যতম পদক্ষেপ -সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য

Mar 01, 2026

এইচপিভি টিকার আবিষ্কার বিকশিত ভারত বাস্তবায়নের এক অন্যতম পদক্ষেপ -সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য

নিউস ত্রিপুরা প্রতিনিধিঃ

সারভাইকেল ক্যান্সার প্রতিরোধে জাতীয় এইচপিভি টিকাকরণ প্রধানমন্ত্রীর বিকশিত ভারতের স্বপ্নকে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। শনিবার রাজধানীর আইজিএম হাসপাতালে রাজ্য ভিত্তিক এই টিকাকরণ অভিযান সূচনা করে এই কথা বলেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য।

 

শনিবার থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে গোটা দেশে জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাকরণ অভিযান শুরু হয়েছে ।এই অভিযান তিন মাস চলবে। এই উপলক্ষে ত্রিপুরায় আইজিএম হাসপাতালে এদিন রাজ্যভিত্তিক এইচপিভি টিকাকরণ অভিযানের উদ্বোধন হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজ্যভিত্তিক এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য ।    এদিন এই অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য জানান ,দেশবাসীকে বিকশিত ভারতের স্বপ্ন দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ।             বিকশিত ভারতের জন্য বিভিন্ন চিন্তাভাবনা এবং কাজও শুরু করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ।এর ফলেই দেশে রোবটিক সার্জারি থেকে শুরু করে বড় বড় চিকিৎসা পরিষেবা আমরা দেখতে পাচ্ছি ।কেন্দ্রীয় বাজেটেও স্বাস্থ্য পরিষেবায় বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। রাজ্যসভার সাংসদ আরো জানান ,জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ।বিকশিত ভারতের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে এই টিকাকরণ প্রক্রিয়াও একটি মাইলফলক ।এর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানান রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমাদের দেশে প্রতিবছর বহু মহিলা নতুন করে সার্ভিকাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং এতে মৃত্যুও ঘটে। আই সি এম আর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সময় মতো এইচপিভি টিকা নিলে ভবিষ্যতে ক্যান্সার সংক্রমনের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব ।যে সমস্ত কিশোরী মেয়ের বয়স ১৪ বছর বা তার বেশি কিন্তু 15 বছর পূর্ণ হয়নি তারাই একমাত্র এই টিকা নিতে পারবে ।     এই অভিযানে রাজ্যে ১৭ হাজার ৫০০ জন কিশোরীকে টিকা দেওয়া হবে ।রাজ্যের সব কটি রুটিন ইমিউনাইজেশন স্টেশন,জিবি হাসপাতাল, আইজিএম হাসপাতাল, ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজ, সমস্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, মহাকুমা স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং জেলা হাসপাতালে এই টিকা প্রদান করা হবে।